প্রথমে তিনটি শেপ নিন। উজ্জল থেকে হালকা রঙেরObject > Blend > Blend Options, যান।Specified Steps = 128করুন। তারপর তিনটি শেপ সিলেক্ট করেCtrl + Alt + Bচাপুন অথবাObject > Blend > Makeএ যান।
Reflection
একটি oval নিন। এটিতে সাদা ও কালোর গ্রাডিয়েন্ট বানান. দেখে নিন সাদা যেন ঠিক মতো সাদা হয়। (C,M,Y,K=100). উপরের অঙশ ড্রাগ করুনScreen Blending Modeসিলেক্ট করুন
Highlights
একটি চতুভূর্জ নিয়ে এটিকে বৃত্তটির কাছে এনে ব্লেন্ড করি। কপি করে আরেকটি বানিয়ে নেই।
তিন রঙের একটি গ্রাডিয়েন্ট পাথ বানিয়ে নেই।
একই ভাবে চিত্রের মতো ব্লেন্ড করি
3. CD
Gradient toolব্যবহার করে CD shape টিতে সাদ-কালো গ্রাডিয়েন্ট তৈরী করি।
Rainbow Gradient
কয়েকটি রঙের গ্রাডিয়েন্ট বানিয়ে নেই। মনে রাখতে হবে প্রথম ও শেষ রঙ যেন সাদা হয় Blend Tool (W),ব্লেন্ড টুল ব্যবহার করে প্রতিটি স্ট্রোকে ডান থেকে বামে ক্লিক করি।c
Mask
Ctrl+7 or Object > Clipping Mask > Make. এর মাধ্যমে সিডি সেপ ও গ্রাডিয়েন্টের মাস্ক তৈরী করি।অপাসিটি 26%.করি।
একইভাবে আরেকটি রঙধনু বানাই।
4. Music note refection
তিনটি ওভাল বানাই এবংObject > Blend > Make (Ctl+Alt+B) এ গিয়ে ব্লেন্ড করে নেই।
এটিকে music note এর কাছে নিয়েMultiplyসিলেক্ট করে 37% অ
পাসিটি করুন। Alt চেপে ড্রাগ করে অনুরূপ আরেকটি বানান।
5. Drop Shadow
সবশেষেDrop Shadowর কাজ। সিডিপাথ সিলেক্টEffect > Stylize > Drop Shadowএ যান এবঙ নিচের মতো সেইটঙ করুন।
সব শেষে
আইটিউন আইকনটি এমন হবে-
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে হার্ডডিস্ক ড্রাইভে অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইলজমা হয়। এসব ফাইল কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দেয় । অপ্রয়োজনীয় ফাইলপরিষ্কার করতে Start/Run-এ গিয়ে cleanmgr লিখে Enter চাপুন। এখন একটিমেন্যু আসবে, এখান থেকে যে ড্রাইভ পরিষ্কার করতে চান, সেটি নির্বাচন করে Ok দিন। এখন যেসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলতে চান, সেগুলোতে টিক চিহ্নদিয়ে Ok করলেই ড্রাইভ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
Start/Run-এ গিয়ে cleanmgr
যে ড্রাইভ পরিষ্কার করতে চান, সেটি নির্বাচন করে Ok দিন
এখন যেসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলতে চান, সেগুলোতে টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন।
প্রথমে যে ফোল্ডারের ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে চান, তার আইকনপরিবর্তন করুন । এবার টুলস মেনুতে গিয়ে “শো হিডেন ফাইলস এন্ড ফোল্ডার এবংশো হাইড প্রোটেকটেড অপারেটিং সিস্টেম ফাইলস” এর টিক চিহ্ন তুলে দিন ।এখন ফোল্ডারে গিয়ে Desktop.ini ফাইলটি Open করুন। এখন Text editor এরমাধ্যমে নিন্মোক্ত কোড গুলো টাইপ করুন।
IconArea_Image=C:\Documents and Settings\I-Con Computer\Desktop\mustak\mustak.jpg
ফাইল টি সেভ করুন এবং রিফ্রেশ করুন দেখবেন ছবিটি আসবে।উপরে যে C: দেখানো হয়েছে এই লাইট টি হচ্ছে আপনার ফোন্ডারের লোকেশন। এবং mustak.jpg হচ্ছে আপনার ফোন্ডারের ছবির নাম।
বায়োস পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে আমরা কম্পিউটারকে অনাক্ষাংখীত ব্যবহার থেকেরক্ষা করতে পারি। বায়োসে দুই ধরনের পাসওয়ার্ড সেট করা যায়। এক ধরনেরপাসওয়ার্ড হল পাওয়ার অন করার পর পাসওয়ার্ড চাইবে, সঠিক পাসওয়ার্ড দিতেব্যার্থ হলে কম্পিউটার চালু হবে না। এবং অন্য ধরনের পাসওয়ার্ড হল কম্পিউটারঅন হবে কিন্তু বায়োস সেটিংসে ঢুকতে গেলে পাসওয়ার্ড চাইবে। অনেক সময় দেখাযায়, ব্যবহারকারী বায়োস পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন তাই কম্পিউটার অন করতে পারছেননা। অথবা কারো কাছ থেকে ব্যবহৃত কম্পিউটার কিনেছেন বায়োস সেটিংসে ঢুকতেগিয়ে দেখলেন পাসওয়ার্ড চাইছে। এই ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে বায়োস পাসওয়ার্ডবাইপাস বা রিসেট করার প্রয়োজন হয়। নিচের তিন পদ্ধতিতে আপনি এই কাজটি করতেপারেন।
১. বায়োস ব্যাটারী খুলে:
মাদারবোর্ডে একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন একটা চ্যাপ্টা ব্যাটারীলাগানো আছে। এই ধরনের ব্যাটারী হাতঘড়িতে ও ব্যবহার করা হয়। সাবধানেব্যাটারীটি খুলে ফেলুন(অবশ্যই কম্পিউটার বন্ধ অবস্থায়)। ১০ থেকে ১৫ মিনিটপর ব্যাটারীটি লাগিয়ে কম্পিউটার চালু করুন। পাসওয়ার্ড মুছে যাওয়ার কথা। তবেকিছু মাদারবোর্ডে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় পাওয়ার ব্যাকআপ রাখার জন্য।এই ধরনের মাদারবোর্ডে ১০/১৫ মিনিটে কাজ হবে না। অন্তত ২৪ ঘন্টার জন্যব্যাটারীটি খুলে রাখুন। পাসওয়ার্ড মুছে যাবে। কিছু কিছু মাদারবোর্ডেব্যাটারীটি সোল্ডার করা থাকে। এক্ষেত্রে সোল্ডারিংয়ের অভীজ্ঞতা না থাকলেঅভীজ্ঞ কাউকে দিয়ে ব্যাটারীটি খুলিয়ে নিন। শেষ কথা হল, আধুনিক কিছু কিছুমাদারবোর্ডে বিশেষ করে ল্যাপটপের মাদারবোর্ডের ব্যাটারী খুলে কাজ হয় না। এইধরনের মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে পরবর্তী পদ্ধতিগুলো চেষ্টা করুন।
২. জাম্পার অথবা DIP সুইচ এর মাধ্যমে:
অনেক মাদারবোর্ডে জাম্পার অথবা ডিপ সুইচের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড রিসেট করারব্যবস্থা থাকে। এক্ষেত্রে জাম্পার বা ডিপ সুইচের পাশে লেখা থাকে কোন ধরনেরসেটিংস দিতে হবে। মাদারবোর্ডে লেখা না থাকলে মাদারবোর্ডের সাথে দেওয়াম্যানুয়াল পড়ে অথবা মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারী কোম্পানীর ওয়েবসাইট থেকে ওজেনে নিতে পারেন।
৩. গোপন পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে:
অনেক বায়োস প্রস্তুতকারী কোম্পানী তাদের বায়োসে কিছু গোপন পাসওয়ার্ডদিয়ে রাখে। এই পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্য পাসওয়ার্ডগুলোকে বাইপাস করে চলে যাওয়াযায়। নিচে এধরনের একটা তালিকা দেওয়া হল।
Award BIOS এর জন্য: ALFAROME, BIOSTAR, KDD, ZAAADA, ALLy, CONCAT, Lkwpeter, ZBAAACA, aLLy, CONDO, LKWPETER, ZJAAADC, aLLY, Condo, PINT, 01322222, ALLY, d8on, pint, 589589, aPAf, djonet, SER, 589721, _award, HLT, SKY_FOX, 595595, AWARD_SW, J64, SYXZ, 598598, AWARD?SW, J256, syxz, AWARD SW, J262, shift + syxz, AWARD PW, j332, TTPTHA, AWKWARD, j322, awkward ইত্যাদি।
AMI BIOS এর জন্য:
AMI, BIOS, PASSWORD, HEWITT RAND, AMI?SW, AMI_SW, LKWPETER, CONDO ইত্যাদি।
Phoenix BIOS এর জন্য:
phoenix, PHOENIX, CMOS, BIOS ইত্যাদি।
কিছু কমন পাসওয়ার্ড: ALFAROME, BIOSTAR, biostar, biosstar, CMOS, cmos, LKWPETER, lkwpeter, setup, SETUP, Syxz, Wodj ইত্যাদি।
অন্যান্য কোম্পানীর BIOS Password:
কোম্পানী = = পাসওয়ার্ড
VOBIS & IBM = = merlin
Dell = = Dell
Biostar = = Biostar
Compaq = = Compaq
Enox = = xo11nE
Epox = = central
Freetech = = Posterie
IWill = = iwill
Jetway = = spooml
Packard Bell = = bell9
QDI = = QDI
Siemens = = SKY_FOX
TMC = = BIGO
Toshiba = = Toshiba
Toshiba = = BIOS
বেশিরভাগ Toshiba Laptop এবং কিছু Desktop এ বুট হওয়ার সময় কিবোর্ডের বাম পাশের Shift কী চেপে ধরে রাখলে ও বায়োস পাসওয়ার্ড বাইপাস করা যায়।
পিসি বুট হবার সময় খুব দ্রুত মাউসের বাটন দুটি চাপতে থাকলে IBM Aptiva BIOS এর পাসওয়ার্ড বাইপাস করা যায়।
আসুন ইলাষ্ট্রেটরে ফুল তৈরি করি। প্রথমে ইলাষ্ট্রেটরে নতুন ফাইল নিয়েপেন টুলের সাহায্যে নিচের চিত্রের মত করে আকান। ও আপনারা পেন টুল সম্পর্কেইতো বোধহয় জানেন না। (নতুন রা)
আসুন আমরা আগে পেনটুল সম্পর্কে জেনে নেই। পেন টুল হল ইলাষ্ট্রেটরের এক
টিচমৎকার আর্ট টুল। পেন টুলের সাহায্যে আপনি খুব সহজেই আকা আকি করতে পারেন।এজন্য আপনাকে শুধুমাত্র ক্লিক করতে জান
লেই হবে। আমি আগেই বলেছিগ্রাফিক্সেরকাজ করেতে হলে আপনার প্রথমত দরকার ধৈর্য আর পরবর্তীতে দরকারইচ্ছা। আরদক্ষতা? দক্ষতা অটোমেটিক মানে সয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যাবে।
ইলাষ্ট্রেটরের পেন টুলের চারটি ভাগ আছে (চিত্রে দেখুন)
প্রথমটি ফ্রিকুয়েন্টলি/স্বাধীনভাবে আর্ট করার জন্য ব্যবহার হয়।
দ্বিতীয়টি প্যাথ যোগ করার জন্য ব্যবহার হয়। তৃতীয়টি প্যাথ বিয়োগ করার জন্য ব্যবহার হয়। চতুর্থটি প্যাথ সিলেক্ট করার জন্য ব্যবহার হয়।
তো পেনটুলের পরিচয় তো পেলেন। আসুন এবার একটু কাজ করি। প্রথমে চিত্রের মত করে পেন টুলের সাহায্যে আকান
তারপর একটি সিলেক্ট করে Radial Gradient দিন। এবং ট্রান্সপারেন্টে Multiply সিলেক্ট করুন।
তারপর Eyedropper Tool এর সাহায্যে প্রথমটির কালার কপি করুন। এবং সবগুলোতে গ্রিডেন্ট দিন।
তারপর একটি শিরা আকান নিচের মত লাইন করে এবং গ্রিডেন্ট Linear Gradient করুন। এবং আগের মত ট্রান্সপারেন্টে মাল্টিপুলি সিলেক্ট করুন
তারপর এটিকে ডুপ্লিকেট করুন
তারপর Ellipse Tool ব্যবহার করে একটি সার্কের/বৃত্ত তৈরি করে Radial Gradient দিন এবং আগের মত ট্রান্সপারেন্টে মাল্টিপুলি সিলেক্ট করুন
তারপর ফুলটিকে ঘিরে গ্রুপ করুন। গ্রুপ করার জন্য এর উপর রাইট ক্লিক করেগ্রুপ এ ক্লিক করতে হবে। তারপর দুই তিনটি ফুল কিবোর্ড থেকে Alt ধরে টেনেছেড়ে দিন এবং অপাসিটি কমান। তাহলে দেখতে ভাল লাগবে যেমন ………
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১০
Error লেখা বার্তা কম্পিউটারে বিভিন্ন কাজ করার সময় প্রায়ই error লেখা বার্তা দেখা যায়। এ ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে My computer থেকে properties-এ ক্লিক করে advance নির্বাচন করুন। এবার error reporting ট্যাবে ক্লিক করুন। এখান থেকে disable error reporting নির্বাচন করুন। এর পর থেকে আপনার কম্পিউটার আর বিরক্তিকর error বার্তা প্রদর্শন করবে না।
আপনার পিসিতে পেন ড্রাইভ লাগালে ও তা শো করবে না। বর্তমানে ভাইরাস ছড়ানোর অন্যতম মাধ্যম হল পেন ড্রাইভ। অনেক সময় দেখা যায়, আপনার অনুমতি ছাড়াই কেউ হয়ত আপনার পিসিতে পেন ড্রাইভ লাগিয়েছে এবং এর ফলে আপনার পিসি ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে গেছে। তাই অনাক্ষাংকিত কেউ যাতে আপনার পিসিতে পেন ড্রাইভ ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য আপনি পিসিতে একটা ছোট কাজ করতে পারেন। এর ফলে আপনার পিসিতে পেন ড্রাইভ লাগালে ও তা শো করবে না। এজন্য যা করতে হবে: ১. প্রথমে Start এ গিয়ে Run এ যান এবং regedit লিখে এন্টার দিন। ২. HKEY_LOCAL_MACHINE → System → Current Control Set → Services → usbstor এ যান ৩. Start ওপেন করে ভ্যালু ৩ থাকলে ৪ করে দিন। আপনার পেন ড্রাইভ ব্যবহারের প্রয়োজন হলে ভ্যালুটাকে আবার ৩ করে দিলেই হবে।
আপনার কম্পিউটার কখন চালু হচ্ছে বা কখন বন্ধ হচ্ছে কম্পিউটার আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি জিনিস।এই কম্পিউটার আমরা আমাদের নানা রকম কাজে ব্যবহার করে থাকি।আপনার কম্পিউটার আপনি একা ব্যবহার করেন।আপনার কম্পিউটার যদি আপনাকে ছাড়া কেউ চালু করে তাহলে আপনি অল্প সময়ে তা ধরতে পারবেন।তা নিম্ন রুপ দেওয়া হল:- আপনার কম্পিউটার কখন চালু হচ্ছে বা কখন বন্ধ হচ্ছে সেই হিসাব ঠিকই আপনার কম্পিউটার রাথছে। SchedlgU.Txt নামের ফাইলে এই সব তথ্য দেওয়া আছে।যে ড্রাইভে আপনার উইন্ডোজ ইনস্টল করা আছে সেখানে উইন্ডোজ ফোল্ডারে এই নাম আছে। সেখান থেকে বা র্স্টাট মেনু থেকে রানে গিয়ে SchedlgU.Txt লিখে ওকে করলেই ফাইলটি নোট প্যাডে খুলবে। এবার ডকুমেন্টের ভিতরে ***** Most recent entry is above this line *****লাইনের উপর সর্বশেষ কখন কম্পিউটার খুলেছেন সে সময় দেয়া আছে। তার উপর বন্ধ হওয়ার সর্বশেষ সময় দেয়া আছে। সব চেয়ে মজার ব্যাপার হল এই তথ্য গলো কেউ মুছতে পারবে না।
ফটোশপ ৭ বা সি।এস দিয়ে সকল ছবি এক সাথে রিসাইজ করুন ।যে ভাবে রিসাইজ করতে হবে,নিচে দেখুন.
১।যেফোল্ডারএরঅরজিনালছবিআছে, তারসাথরিসাইজনামেআরেকটিফোল্ডারতৈরিকরুন। ২।ফটোশপচালুকরুনএবং view হতে action বা ALT+ F9 চাপুন।( যদিএকশনপ্যালেটচালুনাথাকে।)
৩।এবারপ্যালেটএর create new action baton ক্লিককরে name text box এ resizepic টা
৫।এবার image>image size এক্লিককরে, width 800 and height 600 type করুন। ok বাটনেক্লিককরুন।
৬।এখন file>save as এক্লিককরে format এর drop down baton এক্লিককরে JPEG(*.jpg,*.ipeg,*.jpe)সিলেক্টকরনএবংফাইলেরনামপরিবতননাকরেশুধুমাত্রআপনার resize folder লোকেশননিধারনকরে save baton এক্লিককরুন। JPEG OPTIONS এর Qulity box এ৫অথবা৪টাইপকরুন।এবার OK বাটনেক্লিককরুন।
৭।ফটোফাইলটিবন্ধকরুন।একশনপ্যালেটএর stop এ Cilck করুন।
৮। File>automate>batch এক্লিককরুন।
৯।এবার action dropdown হতে resizepic selet , অতপর source হতে Folder এবং choose এক্লিককরেআপনারঅরজিনালফোল্ডারসিলেক্টকরেদিন।একইভাবে destination হতে Folder এবং choose এক্লিককরেআপনার Resize ফোল্ডারসিলেক্টকরেদিন। Ok বাটনেক্লিককরুন।
১০।দেখুনআপনারঅরজিনালফোল্ডারহতে ( হতেপারেআপনারঅরজিনালফোল্ডারএহাজারএরউপরেছবিআছে, তাতেওকোনসমস্যানেই। ) অটোমেটিকএকেরপরএককরে Resize folder এজমাহচ্ছে, আপনারনতুনসেটিংঅনুযায়ী।এইপ্রসেসচলাকালিন JPEG OPTIONS box আসলে OK বাটনেক্লিককরুন।