বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০

1. শেপ নেওয়া

নিচের মতো শেপ নিন

2. Music note

প্রথমে তিনটি শেপ নিনউজ্জল থেকে হালকা রঙের Object > Blend > Blend Options, যান Specified Steps = 128 করুনতারপর তিনটি শেপ সিলেক্ট করে Ctrl + Alt + B চাপুন অথবা Object > Blend > Make এ যান

Reflection

একটি oval নিনএটিতে সাদা ও কালোর গ্রাডিয়েন্ট বানান. দেখে নিন সাদা যেন ঠিক মতো সাদা হয়। (C,M,Y,K=100). উপরের অঙশ ড্রাগ করুন Screen Blending Mode সিলেক্ট করুন

Highlights

একটি চতুভূর্জ নিয়ে এটিকে বৃত্তটির কাছে এনে ব্লেন্ড করিকপি করে আরেকটি বানিয়ে নেই


তিন রঙের একটি গ্রাডিয়েন্ট পাথ বানিয়ে নেই

একই ভাবে চিত্রের মতো ব্লেন্ড করি

3. CD

Gradient toolব্যবহার করে CD shape টিতে সাদ-কালো গ্রাডিয়েন্ট তৈরী করি

Rainbow Gradient

কয়েকটি রঙের গ্রাডিয়েন্ট বানিয়ে নেইমনে রাখতে হবে প্রথম ও শেষ রঙ যেন সাদা হয়
Blend Tool (W),ব্লেন্ড টুল ব্যবহার করে প্রতিটি স্ট্রোকে ডান থেকে বামে ক্লিক করিc

Mask

Ctrl+7 or Object > Clipping Mask > Make. এর মাধ্যমে সিডি সেপ ও গ্রাডিয়েন্টের মাস্ক তৈরী করি অপাসিটি 26%.করি

একইভাবে আরেকটি রঙধনু বানাই


4. Music note refection

তিনটি ওভাল বানাই এবং Object > Blend > Make (Ctl+Alt+B) এ গিয়ে ব্লেন্ড করে নেই

এটিকে music note এর কাছে নিয়ে Multiply সিলেক্ট করে 37%

পাসিটি করুন Alt চেপে ড্রাগ করে অনুরূপ আরেকটি বানান

5. Drop Shadow

সবশেষে Drop Shadowর কাজসিডিপাথ সিলেক্ট Effect > Stylize > Drop Shadow এ যান এবঙ নিচের মতো সেইটঙ করুন

সব শেষে

আইটিউন আইকনটি এমন হবে-

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে হার্ডডিস্ক ড্রাইভে অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইল জমা হয়এসব ফাইল কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দেয় অপ্রয়োজনীয় ফাইল পরিষ্কার করতে Start/Run-এ গিয়ে cleanmgr লিখে Enter চাপুনএখন একটি মেন্যু আসবে, এখান থেকে যে ড্রাইভ পরিষ্কার করতে চান, সেটি নির্বাচন করে Ok দিনএখন যেসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলতে চান, সেগুলোতে টিক চিহ্ন দিয়ে Ok করলেই ড্রাইভ পরিষ্কার হয়ে যাবে

Start/Run-এ গিয়ে cleanmgr

যে ড্রাইভ পরিষ্কার করতে চান, সেটি নির্বাচন করে Ok দিন

এখন যেসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলতে চান, সেগুলোতে টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন

Yes Click করলেই ড্রাইভ পরিষ্কার হয়ে যাবে

এটি Disk Property থেকে ও করা যায়

যে কোন ফোল্ডার এর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করুন

উইন্ডোজ এক্সপিতে ফোল্ডার এর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তনের সহজ উপায়

প্রথমে যে ফোল্ডারের ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে চান, তার আইকন পরিবর্তন করুন এবার টুলস মেনুতে গিয়ে শো হিডেন ফাইলস এন্ড ফোল্ডার এবং শো হাইড প্রোটেকটেড অপারেটিং সিস্টেম ফাইলসএর টিক চিহ্ন তুলে দিন এখন ফোল্ডারে গিয়ে Desktop.ini ফাইলটি Open করুনএখন Text editor এর মাধ্যমে নিন্মোক্ত কোড গুলো টাইপ করুন

[ExtShellFolderViews]

{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}={BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}

[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]

IconArea_Image=C:\Documents and Settings\I-Con Computer\Desktop\mustak\mustak.jpg

ফাইল টি সেভ করুন এবং রিফ্রেশ করুন দেখবেন ছবিটি আসবে উপরে যে C: দেখানো হয়েছে এই লাইট টি হচ্ছে আপনার ফোন্ডারের লোকেশন। এবং mustak.jpg হচ্ছে আপনার ফোন্ডারের ছবির নাম।

বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১০

BIOS Password ভুলে গেলে আপনার করণীয়

BIOS Password ভুলে গেলে আপনার করণীয়

বায়োস পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে আমরা কম্পিউটারকে অনাক্ষাংখীত ব্যবহার থেকে রক্ষা করতে পারিবায়োসে দুই ধরনের পাসওয়ার্ড সেট করা যায়এক ধরনের পাসওয়ার্ড হল পাওয়ার অন করার পর পাসওয়ার্ড চাইবে, সঠিক পাসওয়ার্ড দিতে ব্যার্থ হলে কম্পিউটার চালু হবে নাএবং অন্য ধরনের পাসওয়ার্ড হল কম্পিউটার অন হবে কিন্তু বায়োস সেটিংসে ঢুকতে গেলে পাসওয়ার্ড চাইবেঅনেক সময় দেখা যায়, ব্যবহারকারী বায়োস পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন তাই কম্পিউটার অন করতে পারছেন নাঅথবা কারো কাছ থেকে ব্যবহৃত কম্পিউটার কিনেছেন বায়োস সেটিংসে ঢুকতে গিয়ে দেখলেন পাসওয়ার্ড চাইছেএই ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে বায়োস পাসওয়ার্ড বাইপাস বা রিসেট করার প্রয়োজন হয়নিচের তিন পদ্ধতিতে আপনি এই কাজটি করতে পারেন

১. বায়োস ব্যাটারী খুলে:

মাদারবোর্ডে একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন একটা চ্যাপ্টা ব্যাটারী লাগানো আছেএই ধরনের ব্যাটারী হাতঘড়িতে ও ব্যবহার করা হয়সাবধানে ব্যাটারীটি খুলে ফেলুন(অবশ্যই কম্পিউটার বন্ধ অবস্থায়)১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ব্যাটারীটি লাগিয়ে কম্পিউটার চালু করুনপাসওয়ার্ড মুছে যাওয়ার কথাতবে কিছু মাদারবোর্ডে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় পাওয়ার ব্যাকআপ রাখার জন্য এই ধরনের মাদারবোর্ডে ১০/১৫ মিনিটে কাজ হবে নাঅন্তত ২৪ ঘন্টার জন্য ব্যাটারীটি খুলে রাখুনপাসওয়ার্ড মুছে যাবেকিছু কিছু মাদারবোর্ডে ব্যাটারীটি সোল্ডার করা থাকেএক্ষেত্রে সোল্ডারিংয়ের অভীজ্ঞতা না থাকলে অভীজ্ঞ কাউকে দিয়ে ব্যাটারীটি খুলিয়ে নিনশেষ কথা হল, আধুনিক কিছু কিছু মাদারবোর্ডে বিশেষ করে ল্যাপটপের মাদারবোর্ডের ব্যাটারী খুলে কাজ হয় নাএই ধরনের মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে পরবর্তী পদ্ধতিগুলো চেষ্টা করুন

২. জাম্পার অথবা DIP সুইচ এর মাধ্যমে:

অনেক মাদারবোর্ডে জাম্পার অথবা ডিপ সুইচের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড রিসেট করার ব্যবস্থা থাকেএক্ষেত্রে জাম্পার বা ডিপ সুইচের পাশে লেখা থাকে কোন ধরনের সেটিংস দিতে হবেমাদারবোর্ডে লেখা না থাকলে মাদারবোর্ডের সাথে দেওয়া ম্যানুয়াল পড়ে অথবা মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারী কোম্পানীর ওয়েবসাইট থেকে ও জেনে নিতে পারেন

৩. গোপন পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে:

অনেক বায়োস প্রস্তুতকারী কোম্পানী তাদের বায়োসে কিছু গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেএই পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্য পাসওয়ার্ডগুলোকে বাইপাস করে চলে যাওয়া যায়নিচে এধরনের একটা তালিকা দেওয়া হল


Award BIOS এর জন্য:
ALFAROME, BIOSTAR, KDD, ZAAADA, ALLy, CONCAT, Lkwpeter, ZBAAACA, aLLy, CONDO, LKWPETER, ZJAAADC, aLLY, Condo, PINT, 01322222, ALLY, d8on, pint, 589589, aPAf, djonet, SER, 589721, _award, HLT, SKY_FOX, 595595, AWARD_SW, J64, SYXZ, 598598, AWARD?SW, J256, syxz, AWARD SW, J262, shift + syxz, AWARD PW, j332, TTPTHA, AWKWARD, j322, awkward ইত্যাদি।
AMI BIOS এর জন্য:
AMI, BIOS, PASSWORD, HEWITT RAND, AMI?SW, AMI_SW, LKWPETER, CONDO ইত্যাদি।
Phoenix BIOS এর জন্য:
phoenix, PHOENIX, CMOS, BIOS ইত্যাদি।

কিছু কমন পাসওয়ার্ড:
ALFAROME, BIOSTAR, biostar, biosstar, CMOS, cmos, LKWPETER, lkwpeter, setup, SETUP, Syxz, Wodj ইত্যাদি।
অন্যান্য কোম্পানীর BIOS Password:
কোম্পানী = = পাসওয়ার্ড
VOBIS & IBM = = merlin
Dell = = Dell
Biostar = = Biostar
Compaq = = Compaq
Enox = = xo11nE
Epox = = central
Freetech = = Posterie
IWill = = iwill
Jetway = = spooml
Packard Bell = = bell9
QDI = = QDI
Siemens = = SKY_FOX
TMC = = BIGO
Toshiba = = Toshiba
Toshiba = = BIOS
বেশিরভাগ Toshiba Laptop এবং কিছু Desktop এ বুট হওয়ার সময় কিবোর্ডের বাম পাশের Shift কী চেপে ধরে রাখলে ও বায়োস পাসওয়ার্ড বাইপাস করা যায়।
পিসি বুট হবার সময় খুব দ্রুত মাউসের বাটন দুটি চাপতে থাকলে IBM Aptiva BIOS এর পাসওয়ার্ড বাইপাস করা যায়।

ইলাষ্ট্রেটরে ফুল তৈরি



ইলাষ্ট্রেটরে ফুল তৈরি

আসুন ইলাষ্ট্রেটরে ফুল তৈরি করিপ্রথমে ইলাষ্ট্রেটরে নতুন ফাইল নিয়ে পেন টুলের সাহায্যে নিচের চিত্রের মত করে আকানও আপনারা পেন টুল সম্পর্কেই তো বোধহয় জানেন না। (নতুন রা)

আসুন আমরা আগে পেনটুল সম্পর্কে জেনে নেইপেন টুল হল ইলাষ্ট্রেটরের এক

টি চমকার আর্ট টুলপেন টুলের সাহায্যে আপনি খুব সহজেই আকা আকি করতে পারেন এজন্য আপনাকে শুধুমাত্র ক্লিক করতে জান

লেই হবেআমি আগেই বলেছি গ্রাফিক্সের কাজ করেতে হলে আপনার প্রথমত দরকার ধৈর্য আর পরবর্তীতে দরকার ইচ্ছাআর দক্ষতা? দক্ষতা অটোমেটিক মানে সয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যাবে

ইলাষ্ট্রেটরের পেন টুলের চারটি ভাগ আছে (চিত্রে দেখুন)

প্রথমটি ফ্রিকুয়েন্টলি/স্বাধীনভাবে আর্ট করার জন্য ব্যবহার হয়

দ্বিতীয়টি প্যাথ যোগ করার জন্য ব্যবহার হয়
তৃতীয়টি প্যাথ বিয়োগ করার জন্য ব্যবহার হয়
চতুর্থটি প্যাথ সিলেক্ট করার জন্য ব্যবহার হয়

তো পেনটুলের পরিচয় তো পেলেনআসুন এবার একটু কাজ করি
প্রথমে চিত্রের মত করে পেন টুলের সাহায্যে আকান


তারপর একটি সিলেক্ট করে Radial Gradient দিনএবং ট্রান্সপারেন্টে Multiply সিলেক্ট করুন


তারপর Eyedropper Tool এর সাহায্যে প্রথমটির কালার কপি করুনএবং সবগুলো তে গ্রিডেন্ট দিন


তারপর একটি শিরা আকান নিচের মত লাইন করে এবং গ্রিডেন্ট Linear Gradient করুনএবং আগের মত ট্রান্সপারেন্টে মাল্টিপুলি সিলেক্ট করুন

তারপর এটিকে ডুপ্লিকেট করুন


তারপর Ellipse Tool ব্যবহার করে একটি সার্কের/বৃত্ত তৈরি করে Radial Gradient দিন এবং আগের মত ট্রান্সপারেন্টে মাল্টিপুলি সিলেক্ট করুন

তারপর ফুলটিকে ঘিরে গ্রুপ করুনগ্রুপ করার জন্য এর উপর রাইট ক্লিক করে গ্রুপ এ ক্লিক করতে হবেতারপর দুই তিনটি ফুল কিবোর্ড থেকে Alt ধরে টেনে ছেড়ে দিন এবং অপাসিটি কমানতাহলে দেখতে ভাল লাগবে
যেমন ………


মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১০

Error লেখা বার্তা
কম্পিউটারে বিভিন্ন কাজ করার সময় প্রায়ই error লেখা বার্তা দেখা যায়। এ ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে My computer থেকে properties-এ ক্লিক করে advance নির্বাচন করুন। এবার error reporting ট্যাবে ক্লিক করুন। এখান থেকে disable error reporting নির্বাচন করুন। এর পর থেকে আপনার কম্পিউটার আর বিরক্তিকর error বার্তা প্রদর্শন করবে না।
আপনার পিসিতে পেন ড্রাইভ লাগালে ও তা শো করবে না।
বর্তমানে ভাইরাস ছড়ানোর অন্যতম মাধ্যম হল পেন ড্রাইভ। অনেক সময় দেখা যায়, আপনার অনুমতি ছাড়াই কেউ হয়ত আপনার পিসিতে পেন ড্রাইভ লাগিয়েছে এবং এর ফলে আপনার পিসি ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে গেছে। তাই অনাক্ষাংকিত কেউ যাতে আপনার পিসিতে পেন ড্রাইভ ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য আপনি পিসিতে একটা ছোট কাজ করতে পারেন। এর ফলে আপনার পিসিতে পেন ড্রাইভ লাগালে ও তা শো করবে না। এজন্য যা করতে হবে:
১. প্রথমে Start এ গিয়ে Run এ যান এবং regedit লিখে এন্টার দিন।
২. HKEY_LOCAL_MACHINE → System → Current Control Set → Services → usbstor এ যান
৩. Start ওপেন করে ভ্যালু ৩ থাকলে ৪ করে দিন।
আপনার পেন ড্রাইভ ব্যবহারের প্রয়োজন হলে ভ্যালুটাকে আবার ৩ করে দিলেই হবে।
আপনার কম্পিউটার কখন চালু হচ্ছে বা কখন বন্ধ হচ্ছে
কম্পিউটার আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি জিনিস।এই কম্পিউটার আমরা আমাদের নানা রকম কাজে ব্যবহার করে থাকি।আপনার কম্পিউটার আপনি একা ব্যবহার করেন।আপনার কম্পিউটার যদি আপনাকে ছাড়া কেউ চালু করে তাহলে আপনি অল্প সময়ে তা ধরতে পারবেন।তা নিম্ন রুপ দেওয়া হল:-
আপনার কম্পিউটার কখন চালু হচ্ছে বা কখন বন্ধ হচ্ছে সেই হিসাব ঠিকই আপনার কম্পিউটার রাথছে। SchedlgU.Txt নামের ফাইলে এই সব তথ্য দেওয়া আছে।যে ড্রাইভে আপনার উইন্ডোজ ইনস্টল করা আছে সেখানে উইন্ডোজ ফোল্ডারে এই নাম আছে।
সেখান থেকে বা র্স্টাট মেনু থেকে রানে গিয়ে SchedlgU.Txt লিখে ওকে করলেই ফাইলটি নোট প্যাডে খুলবে। এবার ডকুমেন্টের ভিতরে ***** Most recent entry is above this line *****লাইনের উপর সর্বশেষ কখন কম্পিউটার খুলেছেন সে সময় দেয়া আছে। তার উপর বন্ধ হওয়ার সর্বশেষ সময় দেয়া আছে। সব চেয়ে মজার ব্যাপার হল এই তথ্য গলো কেউ মুছতে পারবে না।

শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১০

ফটোশপ ৭ বা সি.এস দিয়ে সকল ছবি রিসাইজ করুন

ফটোশপ ৭ বা সি।এস দিয়ে সকল ছবি এক সাথে রিসাইজ করুন ।যে ভাবে রিসাইজ করতে হবে,নিচে দেখুন.
যে ফোল্ডার এর অরজিনাল ছবি আছে, তার সাথ রিসাইজ নামে আরেকটি ফোল্ডার তৈরি করুন
ফটোশপ চালু করুন এবং view হতে action বা ALT+ F9 চাপুন( যদি একশন প্যালেট চালু না থাকে)

৩। এবার প্যালেট এর create new action baton ক্লিক করে name text box resizepic টা

ইপ করে Record baton ক্লিক করুন

৪। এবার file>open ক্লিক করে আপনার অরজিনাল ফটো ফোল্ডার হতে যে কোন একটি ফটো অপেন করুন

৫। এবার image>image size ক্লিক করে, width 800 and height 600 type করুন। ok বাটনে ক্লিক করুন

৬। এখন file>save as ক্লিক করে format এর drop down baton ক্লিক করে JPEG(*.jpg,*.ipeg,*.jpe)সিলেক্ট করন এবং ফাইলের নাম পরিবতন না করে শুধুমাত্র আপনার resize folder লোকেশন নিধারন করে save baton ক্লিক করুন। JPEG OPTIONS এর Qulity box অথবা টাইপ করুন। এবার OK বাটনে ক্লিক করুন

৭। ফটো ফাইলটি বন্ধ করুন। একশন প্যালেট এর stop Cilck করুন

৮। File>automate>batch ক্লিক করুন


৯। এবার action dropdown হতে resizepic selet , অতপর source হতে Folder এবং choose ক্লিক করে আপনার অরজিনাল ফোল্ডার সিলেক্ট করে দিন। একইভাবে destination হতে Folder এবং choose ক্লিক করে আপনার Resize ফোল্ডার সিলেক্ট করে দিন। Ok বাটনে ক্লিক করুন



১০। দেখুন আপনার অরজিনাল ফোল্ডার হতে ( হতে পারে আপনার অরজিনাল ফোল্ডার হাজার এর উপরে ছবি আছে, তাতে কোন সমস্যা নেই। ) অটোমেটিক একের পর এক করে Resize folder জমা হচ্ছে, আপনার নতুন সেটিং অনুযায়ী এই প্রসেস চলাকালিন JPEG OPTIONS box আসলে OK বাটনে ক্লিক করুন