বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৯

ট্রেড লাইসেন্স

ট্রেড লাইসেন্স কি এবং কেন প্রয়োজন (A license is required and why)
সিটি কর্পোরেশন কর বিধান – ১৯৮৩ এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্সের সুচনা ঘটে । এই লাইসেন্স উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়ে থাকে । ব্যবসার প্রম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স(Trade Licence), আমাদের দেশে এমন অনেক সফল উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী আছেন যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন কিন্তু এটা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং আইন বিরোধি । Trade মানে হচ্ছে ব্যবসা আর Licence মানে হচ্ছে অনুমতি অর্থাৎ ট্রেড লাইসেন্স মানে হচ্ছে ব্যবসার অনুমতিপত্র । এই ট্রেড লাইসেন্স বাংলাদেশ সরকার সিটি কর্পোরেশন কর বিধান – ১৯৮৩ (City Corporation Taxation Rules, 1983) এর অধিনে ইস্যু করে থাকে । যেহেতু এই ট্রেড লাইসেন্স সরকারী প্রতিষ্ঠান হতে ইস্যু করা হয় তাই আপনার ব্যবসার বৈধতার প্রতিক হচ্ছে এই ট্রেড লাইসেন্স ।
কোন জায়গা/প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় (Places / institutions to trade licenses)
সিটি করর্পোরেশন,পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে ।
কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় (How to Trade License)
নির্ধারিত আবেদন ফর্মে ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয় । উদ্যোক্তার আবেদনের ভিত্তিতে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে। আবেদন ফরম এর সাথে উদ্যোক্তাকে কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হয় । ব্যবসার ধরনের উপর ভিত্তি করে ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদন এর সাথে কি কি কাগজ পত্র জমা দিতে হবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিবেন । নিম্নে বিভিন্ন প্রকার ব্যবসার জন্য কি কি ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে তার একটি তালিকা দেয়া হলো:
সাধারণ ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে (general business license)
দোকান ভাড়ার চুক্তি পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্সপরিশোদের এর ফটোকপি ।আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ।ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ১৫০/৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে পার্টনার শিপের অঙ্গীকারনামা/শর্তাবলী জমা দিতে হবে ।
ফ্যাক্টরির/কারখানা ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে (Factory / factories in the case of a trade license)
পরিবেশের ছাড়পত্রের কপি ।প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার বিবরণসহ নকশা/লোকেশন ম্যাপ।প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা ।ফায়ার সার্ভিস এর ছাড়পত্র ।ঢাকাসিটিকর্পোরেশন এর নিয়ম – কানুন মেনে চলার অঙ্গিকারনামা ১৫০/৩০০ টাকারজুডিশিয়ার স্ট্যাম্প এ স্বাক্ষরিত।
 সি.এন.জি ষ্টেশন/দাহ্য পদার্থ ব্যবসার ক্ষেত্রে (CNG station / combustible materials business)
বিস্ফোরক অধিদপ্তর/ ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র/অনুমতিপত্র ।
ক্লিনিক/প্রাইভেটহাসপাতালএর ক্ষেত্রে (Clinic / private hospitals in the case of)
ডিরেক্টর জেনারেল – স্বাস্থ্য , কর্তৃক অনুমতিপত্র ।
 লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে (In case of limited company)
কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল ।সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন ।
প্রিন্টিং প্রেস এবং আবাসিক হোটেল এর ক্ষেত্রে (Printing Press and residential hotel)
ডেপুটি কমিশনার, কর্তৃক অনুমতিপত্র ।
রিক্রুটিং এজেন্সির ক্ষেত্রে (In recruiting agencies)
মানবসম্পদ রপ্তানী বুর‍্যো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স ।
অস্ত্র ও গোলাবারুদ এর ক্ষেত্রে (In the case of weapons and ammunition)
অস্ত্রের লাইসেন্স ।
ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে (Medicines and drugs case)
ড্রাগ লাইসেন্স এর কপি ।
ট্রাভেলিং এজেন্সির ক্ষেত্রে (Travel agencies in the)
সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ।
ট্রেড লাইসেন্স করতে কতো টাকা (ফি) লাগে (How do you trade money (fees) takes)
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর স্থানীয় সরকার বিভাগ, পৌর  – ১ শাখা হতে বিশেষ প্রজ্ঞাপন এর মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স এর ফি নির্ধারন করা হয় । ব্যবসার ধরন এর উপর ভিত্তি করে ট্রেড লাইসেন্স এর ফি নির্ধারন করা হয়েথাকে । স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে তথ্য জানা যাবে।
কারা ট্রেড লাইসেন্স করতে পারবেন (Who can trade in)
নারী, পুরুষ উভয়ই ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে তবে অবশ্যই তাকে কোন না কোন ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতে হবে । বয়স ১৮ বছর এর উপরে হতে হবে ।
একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাধিক ব্যবসায় ব্যবহার করা যায় (A license key can be used for multiple business)
না একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু মাত্র একটি ব্যবসার জন্যই প্রযোজ্য অর্থাৎ যে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্সটি করা হয় শুধু মাত্র সেই ব্যবসা পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা যাবে অন্য কোন ধরনের ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা যাবে না ।নতুন কোন ব্যবসা শুরু করলে তার জন্য নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে ।
একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাধিক ব্যাক্তি ব্যবহার করতে পারবেন (A license allows you to use more than one person)
না একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু মাত্র একজন ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তা ব্যবহার করতে পারবেন অর্থাৎ যে ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তার নামে ট্রেড লাইসেন্সটি করা হয়েছে এটি শুধু মাত্র তার জন্যই প্রযোজ্য । এটা কোনভাবেই হস্তান্তর যোগ্য নয় ।
ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে এবং কোথা থেকে নবায়ন করতে হয় (How and Where to renew license)
যে অফিস থেকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়, সেখান থেকেই ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা হয় । ট্রেড লাইসেন্স সাধারনত ১ বছর এর জন্য ইস্যু করা হয় । প্রতি বছর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয় । পুরানো ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয় ।

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে কি করবেন?

কষ্টার্জিত ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে বা কোনো কারণে নষ্ট হলে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কেননা এতে আবারও সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয় এবং একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় তার ‘ডুপ্লিকেট লাইসেন্স’ করতে হয়। তবে তাতে ঝামেলার কিছু নেই। নিচে ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়াগুলো উল্লেখ করা হলো:
• ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে, বা কোনো কারণে নষ্ট হলে প্রথমে ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং রেফারেন্স নম্বর ও তারিখ (যদি থাকে) উল্লেখ করে থানায় জিডি করতে হবে।
• বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ হতে ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহ করতে হবে।
• ড্রাইভিং লাইসেন্সটি বিআরটিএ’র যে সার্কেল অফিস থেকে ইস্যু করা হয়েছে বা সর্বশেষ নবায়ন করা হয়ে সে সার্কেলের লাইসেন্সিং অথরিটি, সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বরাবরে ড্রাইভিং লাইসেন্সর প্রতিলিপি বা ডুপ্লিকেট লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে।
• ড্রাইভিং লাইসেন্সটি যদি হাইসিকিউরিটি স্মার্ট কার্ড হয় তাহলে নতুন করে বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, আঙ্গুলের ছাপ, ডিজিটাল স্বাক্ষর)-এর প্রয়োজন নেই। কিন্তু যদি তা না হয় তবে, বায়োমেট্রিক্স প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসে হাজির হয়ে বায়োমেট্রিক্স প্রদান করে acknowledgement slip সংগ্রহ করতে হবে।
• স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্টিং-এর সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে গ্রাহককে মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
• গ্রহকের মোবাইলে মেসেজ পাওয়ার পর acknowledgement slip প্রদর্শণপূর্বক সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিস থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি:
১। যথাযথভাবে পুরণকৃত ০৪ পৃষ্ঠার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর ফর্ম ।
২। জিডি কপি ও ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স।
৩। নির্ধারিত ফি (হাই সিকিউরিউটি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ৮৭৫/-টাকা) বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।
৪। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
গাড়ির কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের একটি অনুলিপি বা ফটোকপি বাড়িতে সংরক্ষণ করা উচিৎ। ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর ফর্ম, ব্যাংকের তালিকা ও অন্যান্য তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিস কিংবা www.brta.gov.bd ভিজিট করুন।
(তথ্যসূত্র:http://www.brta.gov.bd)

বিএসটিআই লাইসেন্স প্রয়োজন? জেনে নিন পদ্ধতি

পণ্য বাজারজাত করণের আগে যে কাজটি সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ তা হল বিএসটিআই-এর অনুমোদন। আপনার পণ্যটি গুণগত মানসম্পন্ন বা ভোক্তার জন্য উপযোগী কিনা এর লাইসেন্স দেয় বিএসটিআই। এই লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া না জানার কারণে তাই উদ্যোক্তা বা শিল্প মালিকদের অনেক সময় স্বীকার হতে হয় নানা বিড়ম্বনার।
এই বিড়ম্বনা থেকে বাঁচতে জেনে নিন বিএসটিআই-এর প্রক্রিয়া।
সার্টিফিকেশন মার্কস (সিএম) লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন এবং আমাদনিকৃত পণ্যের অনুকূলে বিএসটিআই ছাড়পত্র প্রদানের ধাপসমূহ:
বাধ্যতামূলক পণ্য অথবা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত পণ্য উভয় ক্ষেত্রে একজন উৎপাদনকারী, মোড়কজাতকারী অথবা আমদানিকারক বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে তাদের পণ্যের অনুকূলে বিএসটিআই সার্টিফিকেশন মার্কস (সিএম) লাইসেন্স গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দরখাস্ত ফরম যথাযাথভাবে পূরণ করে বিএসটিআই প্রধান কার্যালয়ের এবং আঞ্চলিক অফিসের ‘‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার’’ এ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং দরখাস্ত ফি সহ জমা প্রদান করতে হবে।
যে সকল কাগজপত্র আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে:
কারখানার ঠিকানায় প্রাপ্ত হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর পরিশোধের হালনাগাদ প্রতয়ণ পত্র, টেডমার্কস রেজি, কারখানার লে – আউট, কারখানায় স্থাপিত যন্ত্রপাতির তালিকা, প্রিমিসেস লাইসেন্স (খাদ্য প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে) কারখানায় নিয়োজিত কর্মচারীদের স্বাস্থ্যগত সনদ (খাদ্য প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে) পণ্য প্রক্রিয়ার ফ্লো চার্ট কারখানার পরীক্ষাগারে স্থাপিত যন্ত্রপাতির তালিকা কারখানার পরীক্ষাগারে সম্পাদিত পরীক্ষণ কার্যক্রম (এসটিআই) পরীক্ষণ কাজে নিয়োজিত ব্যাক্তিদের জীবন বৃত্তান্ত উৎপাদিত পণ্যের পরিচিতিমূলক লেবেল/মোড়ক (‘‘প্যাকেজ কমোডিটিজ রুলস, ২০০৭’’ অনুযায়ী)
আমদানিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে আমদানিকৃত পণ্যের এলসি’র কাগজপত্র, প্যাকিং লিষ্ট, ইনভয়েস, স্বাস্থ্যসনদ, কান্ট্রি অব, অরিজিন, পণ্যের লেবেল বা লেবেলের নমুনা যেখানে আমদানিকারকের নাম-ঠিকানা ও এলসি নং, বিএসটিআই লোগো, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য স্পষ্টভাবে মুদ্রিত থাকতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবেশ ছাড়পত্র এবং জেলা প্রশাসকের দপ্তর হতে ইট ভাটার লাইসেন্স।
দরখাস্ত জমা প্রদানের পর যাচাই পূর্বক ৬(ছয়) কার্যদিবসের মধ্যে কারখানা পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল, উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন স্তর, কারখানায় বিদ্যমান পরীক্ষণ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত অবস্থা, পণ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থাদি এবং পরীক্ষণ কাজে নিয়োজিত ব্যাক্তিদের তথ্যাদি সংগ্রহ করা হয়।
কারখানা পরিদর্শন প্রতিবেদন সন্তোষজনক পাওয়া গেলে উৎপাদনের স্তর হতে অথবা কারখানায় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ হতে দৈবচয়ণ ভিত্তিতে পরীক্ষণের জন্য যৌথস্বাক্ষরে পণ্যের নমুনা সীলগালা করা হয়।
বিএসটিআই অথবা বিএসটিআই স্বীকৃত কোন পরীক্ষাগারে অগ্রিম পরীক্ষণ ফিসহ সংগৃহীত পণ্যের নমুনা জমা দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান বরাবরে পত্র দেয়া হয়।
পরীক্ষার প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর সিএম লাইসেন্স প্রদান অথবা নবায়নের জন্য সার্টিফিকেশন কমিটির বরাবরে প্রস্তাব পেশ করা হয় এবং অনুমোদনের পর লাইসেন্স প্রদান অথবা নবায়নের নিমিত্তে সিএমফি’র বিল প্রেরণ করা হয়। সিএমফির বিল পরিশোধের পর লাইসেন্স প্রদান অথবা নবায়ন স্বাক্ষর পূর্বক জারী করা হয়।
 
৩ (তিন) অর্থ বছরের জন্য লাইসেন্স প্রদান অথবা নবায়ন করা হয়। প্রতি বছর একাধিকবার বাজার ও কারখানা সার্ভিল্যান্স করে পণ্যের নমুনা সংগ্রহ ও গুণগত মান যাচাই করা হয়।
সংগৃহীত সকল নমুনা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মানের সমকক্ষ না হলে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান এবং ইস্যুকৃত সিএম লাইসেন্স স্থগিত অথবা প্রত্যাহার করা হয়। লাইসেন্স স্থগিত অথবা প্রত্যাহার করার পর উক্ত পণ্যের বাজারজাত ও বিক্রি অথবা পণ্যের লেবেলে/মোড়কে বা বিজ্ঞাপণে বিএসটিআই গুণগতমান চিহ্নের ব্যবহার বিএসটিআই অধ্যাদেশ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হয়।
লাইসেন্সের মেয়াদ উর্ত্তীণের ৩(তিন) মাস পূর্বে নবায়নের জন্য একইভাবে আবেদন পত্র জমা দিতে হয়।
এ্যাক্রিডিটেশনপ্রাপ্ত পণ্য ব্যতীত অন্যান্য সকল পণ্যের ক্ষেত্রে দরখাস্ত জমা হবার পর মোট ৩৮ কার্যদিবসের মধ্যে লাইসেন্স প্রদান অথবা নবায়নের কাজ সম্পাদন পূর্বক লাইসেন্স জারী করা হয়।
আমদানিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতি কনসাইনমেন্ট বা লট ভিত্তিক পণ্য পরীক্ষণ এবং গুণগতমানের ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। তবে যে সকল পণ্য সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী পরীক্ষণ সময় বেশী প্রয়োজন হয়, সে সকল ক্ষেত্রে চুড়ান্ত ছাড়পত্র প্রদানের পূর্বে বাজারজাত না করার শর্তে সাময়িক ছাড়পত্র প্রদান করা হয়।
নতুন লাইসেন্স গ্রহণের জন্য আবেদন পত্রের সাথে দরখাস্ত ফি বাবদ এক হাজার এবং নবায়নের আবেদন পত্র জন্য দরখাস্ত ফি বাবদ পাঁচ শত মাত্র জমা দিতে হয়। প্রতিটি নমুনা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মান অনুযায়ী পরীক্ষণের জন্য পণ্যভিত্তিক নির্ধারিত পরীক্ষণ ফি জমা দিতে হয়।
লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের প্রাক্কালে নির্ধারিত মার্কিং ফি’র হার অনুযায়ী সিএম ফি অগ্রিম পরিশোধের জন্য বিল প্রেরণ করা হয় এবং বিল পরিশোধের পর লাইসেন্স প্রদান/নবায়ন করা হয়।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর

০১. প্রশ্ন : মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তর ঃ মোটরযান আইনে মোটরযান অর্থ কোনো যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়ে থাকে।
০২. প্রশ্ন : গাড়ি চালনার আগে করণীয় কাজ কী কী ?
উত্তর ঃ  ক. গাড়ির হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্সটোকেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইনসিওরেন্স (বিমা) সার্টিফিকেট, রুট পারমিট ইত্যাদি) গাড়ির সঙ্গে রাখা।
খ. গাড়িতে জ্বালানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
গ. রেডিয়েটর ও ব্যাটারিতে পানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
ঘ. ব্যাটারি কানেকশন পরীক্ষা করা।
ঙ. লুব/ইঞ্জিন অয়েলের লেবেল ও ঘনত্ব পরীক্ষা করা, কম থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
চ. মাস্টার সিলিন্ডারের ব্রেকফ্লুইড, ব্রেকঅয়েল পরীক্ষা করা, কম থাকলে নেওয়া।
ছ. গাড়ির ইঞ্জিন, লাইটিং সিস্টেম, ব্যাটারি, স্টিয়ারিং ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, নাট-বোল্ট টাইট আছে কি না অর্থাৎ সার্বিকভাবে মোটরযানটি ত্র“টিমুক্ত আছে কি না পরীক্ষা করা।
জ. ব্রেক ও ক্লাচের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।
ঝ. অগ্নিনির্বাপকযন্ত্র এবং ফাস্টএইড বক্স গাড়িতে রাখা।
ঞ. গাড়ির বাইরের এবং ভিতরের বাতির অবস্থা, চাকা (টায়ার কন্ডিশন/হাওয়া/নাট/এলাইমেন্ট/রোটেশন/স্পেয়ার চাকা) পরীক্ষা করা।
০৩. প্রশ্ন : মোটরযানের মেইনটেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় একটি গাড়ি হতে দীর্ঘদিন সার্ভিস পাওয়ার জন্য প্রতিদিন গাড়িতে যে-সমস্ত মেরামত কাজ করা হয়, তাকে মোটরযানের মেইনটেনেন্স বলে।
০৪. প্রশ্ন : একটি মোটরযানে প্রতিদিন কী কী মেইনটেনেন্স করতে হয় ?
উত্তর ঃ ২ নং প্রশ্নের উত্তরের খ থেকে ঞ পর্যন্ত।
০৫. প্রশ্ন : সার্ভিসিং বলতে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ মোটরযানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে-কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে।
০৬. প্রশ্ন : গাড়ি সার্ভিসিংয়ে কী কী কাজ করা হয় ?
উত্তর ঃ ক. ইঞ্জিনের পুরাতন লুবঅয়েল (মবিল) ফেলে দিয়ে নতুন লুবঅয়েল দেওয়া। নতুন লুবঅয়েল দেওয়ার আগে ফ্লাশিং অয়েল দ্বারা ফ্লাশ করা।
খ. ইঞ্জিন ও রেডিয়েটরের পানি ড্রেন আউট করে ডিটারজেন্ট ও ফ্লাশিংগান দিয়ে পরিষ্কার করা, অতঃপর পরিষ্কার পানি দিয়ে পূর্ণ করা।
গ. ভারী মোটরযানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গ্রিজিং পয়েন্টে গ্রিজগান দিয়ে নতুন গ্রিজ দেওয়া।
ঘ. গাড়ির স্পেয়ার হুইলসহ প্রতিটি চাকাতে পরিমাণমতো হাওয়া দেওয়া।
ঙ. লুবঅয়েল (মবিল) ফিল্টার, ফুয়েল ফিল্টার ও এয়ারক্লিনার পরিবর্তন করা।
০৭. প্রশ্ন : গাড়ি চালনাকালে কী কী কাগজপত্র গাড়ির সঙ্গে রাখতে হয় ?
উত্তর ঃ ক. ড্রাইভিং লাইসেন্স, খ. রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ব্লু-বুক), গ. ট্যাক্সটোকেন, ঘ. ইনসিওরেন্স সার্টিফিকেট, ঙ.ফিটনেস সার্টিফিকেট (মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়) এবং চ. রুটপারমিট (মোটরসাইকেল এবং চালক ব্যতীত সর্বোচ্চ ৭ আসন বিশিষ্ট ব্যক্তিগত যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।
০৮. প্রশ্ন : রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করতে পারেন/কোন কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণকে গাড়ির কাগজ দেখাতে বাধ্য ?
উত্তর ঃ সার্জেন্ট বা সাব-ইনসপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, মোটরযান পরিদর্শকসহ বিআরটিএর কর্মকর্তা এবং মোবাইলকোর্টের কর্মকর্তা।
০৯. প্রশ্ন : মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কী ?
উত্তর ঃ মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত ১ জন আরোহী বহন করা যাবে এবং উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১০০)।
১০. প্রশ্ন : সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?
উত্তর ঃ ক. অত্যধিক আত্মবিশ্বাস, খ. মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, গ. অননুমোদিত ওভারটেকিং এবং ঘ. অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন। 
১১. প্রশ্ন : গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করনীয় কী ?
উত্তর ঃ আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় দুর্ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট করা।
১২. প্রশ্ন : আইন অনুযায়ী গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা কত ?
উত্তর ঃ হালকা মোটরযান ও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭০ মাইল, মাঝারি বা ভারী যাত্রীবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৫ মাইল এবং মাঝারি বা ভারী মালবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ মাইল।
১৩. প্রশ্ন : মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী ?
উত্তর ঃ সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ দলিলই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।
১৪. প্রশ্নঃ অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে ?
উত্তর ঃ যে-লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক কারো বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে মোটর সাইকেল, হালকা মোটরযান এবং অন্যান্য মোটরযান (পরিবহনযান ব্যতীত) চালাতে পারে, তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।
১৫. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত ?
উত্তর ঃ পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।
১৬. প্রশ্ন : কোন কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে ?
উত্তর ঃ মৃগীরোগী, উন্মাদ বা পাগল, রাতকানারোগী, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপব্যক্তি, বধিরব্যক্তি এবং বাহু বা পা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা হয় এমন ব্যক্তি।
১৭. প্রশ্ন : হালকা মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তর ঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাইওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক নয়, তাকে হালকা মোটরযান বলে।
১৮. প্রশ্ন : মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তর ঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাইওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭কেজির অধিক কিন্তু ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক নয়, তাকে মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান বলে।
১৯. প্রশ্ন : ভারী মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তর ঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাইওজন ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক, তাকে ভারী মোটরযান বলে।
২০. প্রশ্ন : প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান (ঢ়ৎরাধঃব ংবৎারপব াবযরপষব) কাকে বলে ?
উত্তর ঃ ড্রাইভার ব্যতীত আটজনের বেশি যাত্রী বহনের উপযোগী যে-মোটরযান মালিকের পক্ষে তার ব্যবসা সম্পর্কিত কাজে এবং বিনা ভাড়ায় যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান বলে। 
২১. প্র্রশ্ন ঃ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন (চিহ্ন) প্রধানত কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তর ঃ ট্রাফিক সাইন বা চিহ্ন প্রধানত তিন প্রকার।  ক. বাধ্যতামূলক, যা প্রধানত বৃত্তাকৃতির হয়,                     
খ. সতর্কতামূলক, যা প্রধানত ত্রিভুজাকৃতির হয় এবং গ. তথ্যমূলক, যা প্রধানত আয়তক্ষেত্রাকার হয়। 
২২. প্রশ্ন : লাল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?
উত্তর ঃ নিষেধ বা করা যাবে না বা অবশ্যবর্জনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৩. প্রশ্ন : নীল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?
উত্তর ঃ করতে হবে বা অবশ্যপালনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৪. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজাকৃতির সাইন কী নিদের্শনা প্রদর্শন করে ?
উত্তর ঃ সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৫. প্রশ্ন : নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন ?
উত্তরঃ সাধারণ তথ্যমূলক সাইন।
২৬. প্রশ্ন : সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তরঃ পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা জাতীয় মহাসড়কে ব্যবহৃত হয়।
২৭. প্রশ্ন : কালো বর্ডারের সাদা রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তরঃ এটিও পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা মহাসড়ক ব্যতীত অন্যান্য সড়কে ব্যবহৃত হয়।
২৮. প্রশ্ন : ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তর ঃ ৩ (তিন) প্রকার। যেমন- ক. বাহুর সংকেত, খ. আলোর সংকেত ও গ. শব্দ সংকেত।
২৯. প্রশ্ন :  ট্রাফিক লাইট সিগন্যালের চক্র বা অনুক্রম (ংবয়ঁবহপব) গুলি কী কী ?
উত্তর ঃ লাল-সবুজ-হলুদ এবং পুনরায় লাল।
৩০. প্রশ্ন : লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কী নির্দেশনা প্রদশন করে ?
উত্তর ঃ লালবাতি জ্বললে গাড়িকে ‘থামুনলাইন’এর পেছনে থামায়ে অপেক্ষা করতে হবে, সুবজবাতি জ্বললে গাড়ি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে এবং হলুদবাতি জ্বললে গাড়িকে থামানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
৩১. প্রশ্নঃ নিরাপদ দূরত্ব বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ এড়াতে পেছনের গাড়িকে নিরাপদে থামানোর জন্য যে পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে হয় সেই পরিমাণ নিরাপদ দূরত্ব বলে।
৩২. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে?
উত্তর ঃ ২৫ মিটার।
৩৩. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ মাইল গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে ?
উত্তর ঃ ৫০ গজ বা ১৫০ ফুট।
৩৪. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।
৩৫. প্রশ্ন : নীল বৃত্তে ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ সর্বনিম্ন গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের কম গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।
৩৬. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের মধ্যে হর্ন আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ হর্ন বাজানো নিষেধ।
৩৭. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতরে একটি বড় বাসের ছবি থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ বড় বাস প্রবেশ নিষেধ।
৩৮. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ পথচারী পারাপার নিষেধ।
৩৯. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ সামনে পথচারী পারাপার, তাই সাবধান হতে হবে। 
৪০. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতর একটি লাল ও একটি কালো গাড়ি থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ ওভারটেকিং নিষেধ।
৪১. প্রশ্ন : আয়তক্ষেত্রে ‘চ’ লেখা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান।
৪২. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ ?
উত্তর ঃ নীরব এলাকায় গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত বা অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহের চতুর্দিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকা নীরব এলাকা হিসাবে চিহ্নিত।
৪৩. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে ওভারটেক করা নিষেধ ?
উত্তর ঃ ক. ওয়ারটেকিং নিষেধ সম্বলিত সাইন থাকে এমন স্থানে, খ. জাংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্ট ও তার আগে পরে নির্দিষ্ট দূরত্ব, ঘ. সরু রাস্তায়, ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়।
৪৪. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ি পার্ক করা নিষেধ ?
উত্তর ঃ ক. যেখানে পার্কিং নিষেধ বোর্ড  আছে এমন স্থানে, খ. জাংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্টের ওপর, ঘ. সরু রাস্তায়,        
ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়, চ. পাহাড়ের ঢালে ও ঢালু রাস্তায়, ফুটপাত, পথচারী পারাপার এবং তার আশেপাশে, ছ. বাস স্টপেজ ও তার আশেপাশে এবং জ. রেলক্রসিং ও তার আশেপাশে।
৪৫. প্রশ্ন : গাড়ি রাস্তার কোনপাশ দিয়ে চলাচল করবে ?
উত্তর ঃ গাড়ি রাস্তার বামপাশ দিয়ে চলাচল করবে। যে-রাস্তায় একাধিক লেন থাকবে সেখানে বামপাশের লেনে ধীর গতির গাড়ি, আর ডানপাশের লেনে দ্রুত গাতির গাড়ি চলাচল করবে।
৪৬. প্রশ্ন : কখন বামদিক দিয়ে ওভারটেক করা যায় ?
উত্তর ঃ যখন সামনের গাড়ি চালক ডানদিকে মোড় নেওয়ার ইচ্ছায় যথাযথ সংকেত দিয়ে রাস্তার মাঝামাঝি স্থানে যেতে থাকবেন তখনই পেছনের গাড়ির চালক বামদিক দিয়ে ওভারটেক করবেন।
৪৭. প্রশ্ন : চলন্ত অবস্থায় সামনের গাড়িকে অনুসরণ করার সময় কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখা উচিত ?
উত্তরঃ (ক) সামনের গাড়ির গতি (স্পিড) ও গতিবিধি, (খ) সামনের গাড়ি থামার সংকেত দিচ্ছে কি না,  (গ) সামনের গাড়ি ডানে/বামে ঘুরার সংকেত দিচ্ছে কি না, (ঘ) সামনের গাড়ি হতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় থাকছে কি না।

৪৮. প্রশ্ন : রাস্তারপাশে সতর্কতামূলক ‘‘স্কুল/শিশু” সাইন বোর্ড থাকলে চালকের করণীয় কী ?
উত্তরঃ (ক) গাড়ির গতি কমিয়ে রাস্তার দু-পাশে ভালোভাবে দেখে-শুনে সতর্কতার সাথে অগ্রসর হতে হবে।
        (খ) রাস্তা পারাপারের অপেক্ষায় কোনো শিশু থাকলে তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

৪৯. প্রশ্ন : গাড়ির গতি কমানোর জন্য চালক হাত দিয়ে কীভাবে সংকেত দিবেন ?
উত্তর ঃ চালক তার ডানহাত গাড়ির জানালা দিয়ে সোজাসুজি বের করে ধীরে ধীরে উপরে-নীচে উঠানামা করাতে থাকবেন।
৫০. প্রশ্ন : লেভেলক্রসিং বা রেলক্রসিং কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তর ঃ লেভেলক্রসিং বা রেলক্রসিং ২ প্রকার। ক. রক্ষিত রেলক্রসিং বা পাহারাদার নিয়ন্ত্রিত রেলক্রসিং, খ. অরক্ষিত রেলক্রসিং বা পাহারাদারবিহীন রেলক্রসিং।

৫১. প্রশ্নঃ রক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
উত্তর ঃ গাড়ির গতি কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে। যদি রাস্তা বন্ধ থাকে তাহলে গাড়ি থামাতে হবে, আর খোলা থাকলে ডানেবামে ভালোভাবে দেখে অতিক্রম করতে হবে।

৫২. প্রশ্নঃ অরক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
উত্তর ঃ গাড়ির গতি একদম কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে, প্রয়োজনে লেভেলক্রসিংয়ের নিকট থামাতে হবে। এরপর ডানেবামে দেখে নিরাপদ মনে হলে অতিক্রম করতে হবে।

৫৩. প্রশ্ন : বিমানবন্দরের কাছে চালককে সতর্ক থাকতে হবে কেন ?
উত্তর ঃ (ক) বিমানের প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির চালক হঠাৎ বিচলিত হতে পারেন, (খ) সাধারণ শ্রবণ ক্ষমতার ব্যাঘাত ঘটতে পারে, (গ) বিমানবন্দরে ভিভিআইপি/ভিআইপি বেশি চলাচল করে বিধায় এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়।

৫৪. প্রশ্নঃ মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীর হেলমেট ব্যবহার করা উচিত কেন ?
উত্তর ঃ মানুষের মাথা শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এখানে সামান্য আঘাত লাগলেই মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে। তাই দুর্ঘটনায় মানুষের মাথাকে রক্ষা করার জন্য হেলমেট ব্যবহার করা উচিত।
৫৫. প্রশ্ন : গাড়ির পেছনের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য কতক্ষণ পর পর লুকিং গ্লাস দেখতে হবে ?
উত্তর ঃ প্রতিমিনিটে ৬ থেকে ৮ বার।

৫৬. প্রশ্নঃ পাহাড়ি রাস্তায় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
উত্তরঃ সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ১ নং গিয়ারে বা ফার্স্ট গিয়ারে সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে হবে। পাহাড়ের চূড়ার কাছে গিয়ে আরো ধীরে উঠতে হবে, কারণ চূড়ায় দৃষ্টিসীমা অত্যন্ত সীমিত। নিচে নামার সময় গাড়ির গতি ক্রমে বাড়তে থাকে বিধায় সামনের গাড়ি থেকে বাড়তি দূরত্ব বজায় রেখে নামতে হবে। ওঠা-নামার সময় কোনোক্রমেই ওভারটেকিং করা যাবে না।

৫৭. প্রশ্নঃ বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালনার বিষয়ে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
উত্তরঃ বৃষ্টির সময় রাস্তা পিচ্ছিল থাকায় ব্রেক কম কাজ করে। এই কারণে বাড়তি সতর্কতা হিসাবে ধীর গতিতে (সাধারণ গতির চেয়ে অর্ধেক গতিতে) গাড়ি চালাতে হবে, যাতে ব্রেক প্রয়োগ করে অতি সহজেই গাড়ি থামানো যায়। অর্থাৎ ব্রেক প্রয়োগ করে গাড়ি যাতে অতি সহজেই থামানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেইরূপ ধীর গতিতে বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে।

৫৮. প্রশ্ন : ব্রিজে ওঠার পূর্বে একজন চালকের করণীয় কী ?
উত্তর ঃ ব্রিজ বিশেষকরে উঁচু ব্রিজের অপরপ্রান্ত থেকে আগত গাড়ি সহজে দৃষ্টিগোচর হয় না বিধায় ব্রিজে ওঠার পূর্বে সতর্কতার সাথে গাড়ির গতি কমিয়ে উঠতে হবে। তাছাড়া, রাস্তার তুলনায় ব্রিজের প্রস্থ অনেক কম হয় বিধায় ব্রিজে কখনো ওভারটেকিং করা যাবে না।
উত্তর ঃ ব্রিজ বিশেষকরে উঁচু ব্রিজের অপরপ্রান্ত থেকে আগত গাড়ি সহজে দৃষ্টিগোচর হয় না বিধায় ব্রিজে ওঠার পূর্বে সতর্কতার সাথে গাড়ির গতি কমিয়ে উঠতে হবে। তাছাড়া, রাস্তার তুলনায় ব্রিজের প্রস্থ অনেক কম হয় বিধায় ব্রিজে কখনো ওভারটেকিং করা যাবে না।

৫৯. প্রশ্ন : পার্শ্বরাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
উত্তর ঃ পার্শ্বরাস্তা বা ছোট রাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার আগে গাড়ির গতি কমায়ে, প্রয়োজনে থামায়ে, প্রধান রাস্তার গাড়িকে নির্বিঘেœ আগে যেতে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধান সড়কে গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে সুযোগমত সতর্কতার সাথে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করতে হবে।

৬০. প্রশ্ন : রাস্তার ওপর প্রধানত কী কী ধরনের রোডমার্কিং অঙ্কিত থাকে ?
উত্তর ঃ রাস্তার ওপর প্রধানত ০৩ ধরনের রোডমাকিং অঙ্কিত থাকে।
       ক. ভাঙালাইন, যা অতিক্রম করা যায়।
       খ. একক অখন্ডলাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ, তবে প্রয়োজনবিশেষ অতিক্রম করা যায়।
       গ. দ্বৈত অখন্ডলাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ এবং আইনত দণ্ডনীয়। এই ধরনের লাইন দিয়ে ট্রাফিকআইল্যান্ড বা রাস্তার বিভক্তি বুঝায়।

৬১. প্রশ্ন : জেব্রাক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
উত্তর ঃ জেব্রাক্রসিংয়ে পথচারীদের অবশ্যই আগে যেতে দিতে হবে এবং পথচারী যখন জেব্রাক্রসিং দিয়ে পারাপার হবে তখন গাড়িকে অবশ্যই তার আগে থামাতে হবে। জেব্রাক্রসিংয়ের ওপর গাড়িকে থামানো যাবে না বা রাখা যাবে না।

৬২. প্রশ্ন : কোন কোন গাড়িকে ওভারটেক করার সুযোগ দিতে হবে ?
উত্তর ঃ যে-গাড়ির গতি বেশি, এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি জরুরি সার্ভিস, ভিভিআইপি গাড়ি ইত্যাদিকে।

৬৩. প্রশ্ন : হেড লাইট ফ্ল্যাশিং বা আপার ডিপার ব্যবহারের নিয়ম কী ?
উত্তর ঃ শহরের মধ্যে সাধারণত ‘লো-বিম বা ডিপার বা মৃদুবিম’ ব্যবহার করা হয়। রাতে কাছাকাছি গাড়ি না থাকলে অর্থাৎ বেশিদূর পর্যন্ত দেখার জন্য হাইওয়ে ও শহরের বাইরের রাস্তায় ‘হাই বা আপার বা তীক্ষ্ম বিম’ ব্যবহার করা হয়। তবে, বিপরীতদিক থেকে আগত গাড়ি ১৫০ মিটারের মধ্যে চলে আসলে হাইবিম নিভিয়ে লো-বিম জ্বালাতে হবে। অর্থাৎ বিপরীতদিক হতে আগত কোনো গাড়িকে পাস/পার হওয়ার সময় লো-বিম জ্বালাতে হবে।


৬৪. প্রশ্ন : গাড়ির ব্রেক ফেল করলে করণীয় কী ?
উত্তর ঃ গাড়ির ব্রেক ফেল করলে প্রথমে অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিতে হবে। ম্যানুয়াল গিয়ার গাড়ির ক্ষেত্রে গিয়ার পরিবর্তন করে প্রথমে দ্বিতীয় গিয়ার ও পরে প্রথম গিয়ার ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে গাড়ির গতি অনেক কমে যাবে। এই পদ্ধতিতে গাড়ি থামানো সম্ভব না হলে রাস্তার আইল্যান্ড, ডিভাইডার, ফুটপাত বা সুবিধামত অন্যকিছুর সাথে ঠেকিয়ে গাড়ি থামাতে হবে। ঠেকানোর সময় যানমালের ক্ষয়ক্ষতি যেনো না হয় বা কম হয় সেইদিকে সজাগ থাকতে হবে।

৬৫. প্রশ্ন : গাড়ির চাকা ফেটে গেলে করণীয় কী ?
উত্তর ঃ গাড়ির চাকা ফেটে গেলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। এই সময় গাড়ির চালককে স্টিয়ারিং দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে হবে এবং অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে ক্রমান্বয়ে গতি কমিয়ে আস্তে আস্তে ব্রেক করে গাড়ি থামাতে হবে। চলন্ত অবস্থায় গাড়ির চাকা ফেটে গেলে সাথে সাথে ব্রেক করবেন না। এতে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।

৬৬. প্রশ্ন : হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি কী ?
উত্তর ঃ প্রতিটি গাড়ির সামনে ও পিছনে উভয়পাশের কর্ণারে একজোড়া করে মোট দু-জোড়া ইন্ডিকেটর বাতি থাকে। এই চারটি ইন্ডিকেটর বাতি সবগুলো একসাথে জ্বললে এবং নিভলে তাকে হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি বলে। বিপজ্জনক মুহূর্তে, গাড়ি বিকল হলে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এই বাতিগুলো ব্যবহার করা হয়।

৬৭. প্রশ্ন : গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কী কী ইন্সট্রুমেন্ট থাকে ?
উত্তর ঃ ক. স্পিডোমিটার- গাড়ি কত বেগে চলছে তা দেখায়।
খ. ওডোমিটার - তৈরির প্রথম থেকে গাড়ি কত কিলোমিটার বা মাইল চলছে তা দেখায়।
গ. ট্রিপমিটার- এক ট্রিপে গাড়ি কত কিলোমিটার/মাইল চলে তা দেখায়।
ঘ. টেম্পারেচার গেজ- ইঞ্জিনের তাপমাত্রা দেখায়।
ঙ. ফুয়েল গেজ- গাড়ির তেলের পরিমাণ দেখায়।

৬৮. প্রশ্ন : গাড়িতে কী কী লাইট থাকে ?
উত্তর ঃ ক. হেডলাইট, খ. পার্কলাইট, গ. ব্রেকলাইট, ঘ. রিভার্সলাইট ঙ. ইন্ডিকেটরলাইট, চ. ফগলাইট এবং ছ. নাম্বারপ্লেট লাইট।

৬৯. প্রশ্ন : পাহাড়ি ও ঢাল/চূড়ায় রাস্তায় গাড়ি কোন গিয়ারে চালাতে হয় ?
উত্তর ঃ ফার্স্ট গিয়ারে। কারণ ফার্স্ট গিয়ারে গাড়ি চালানোর জন্য ইঞ্জিনের শক্তি বেশি প্রয়োজন হয়।

৭০. প্রশ্ন : গাড়ির সামনে ও পিছনে লাল রঙের ইংরেজি “খ” অক্ষরটি বড় আকারে লেখা থাকলে এরদ্বারা কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ এটি একটি শিক্ষানবিশ ড্রাইভারচালিত গাড়ি। এই গাড়ি হতে সাবধান থাকতে হবে।

৭১. প্রশ্ন : শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো বৈধ কী ?
উত্তর ঃ ইনসট্রাক্টরের উপস্থিতিতে ডুয়েল সিস্টেম (ডাবল স্টিয়ারিং ও ব্রেক) সম্বলিত গাড়ি নিয়ে সামনে ও পিছনে “খ” লেখা প্রদর্শন করে নির্ধারিত এলাকায় চালানো বৈধ।

৭২. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ গাড়ি বলতে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ সাধারণত ইঞ্জিন হতে গাড়ির পেছনের দু-চাকায় পাওয়ার (ক্ষমতা) সরবরাহ হয়ে থাকে। বিশেষ প্রয়োজনে যে-গাড়ির চারটি চাকায় (সামনের ও পিছনের) পাওয়ার সরবরাহ করা হয়, তাকে ফোরহুইলড্রাইভ গাড়ি বলে।

৭৩. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ কখন প্রয়োগ করতে হয় ?
উত্তর ঃ ভালো রাস্তাতে চলার সময় শুধুমাত্র পেছনের দু-চাকাতে ড্রাইভ দেওয়া হয়। কিন্তু পিচ্ছিল, কর্দমাক্ত রাস্তায় চলার সময় চার চাকাতে ড্রাইভ দিতে হয়।
 
৭৪. প্রশ্ন : টুলবক্স কী ?
উত্তর ঃ টুলবক্স হচ্ছে যন্ত্রপাতির বাক্স, যা গাড়ির সঙ্গে রাখা হয়। মোটরযান জরুরি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল টুলবক্সে রাখা হয়।

৭৫. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?
উত্তর ঃ সর্বোচ্চ ৪ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৮ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।

৭৬. প্রশ্ন : গাড়িতে গাড়িতে নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা উচ্চশব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র সংযোজন ও তা ব্যবহার করলে শাস্তি কী ?
উত্তর ঃ ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৯ ধারা)।

৭৭. প্রশ্ন : রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুটপারমিট ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী?
উত্তর ঃ প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড। দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী সময়ের জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৫২ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন ।
৭৮. প্রশ্ন : মদ্যপ বা মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি  কী ?
উত্তর ঃ সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তী সময়ে প্রতিবারের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৪ ধারা)।

৭৯. প্রশ্ন : নির্ধারিত গতির চেয়ে অধিক বা দ্রুত গতিতে গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তর ঃ প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ দিন কারাদণ্ড বা ৩০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তীতে একই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা ১ মাসের জন্য স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪২ ধারা)।

৮০. প্রশ্ন : বেপরোয়া ও বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তর ঃ সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং যে-কোনো মেয়াদের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৩ ধারা)।

৮১. প্রশ্ন : ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তর ঃ ২০০ টাকা জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫০)।

৮২. প্রশ্ন : নির্ধারিত ওজন সীমার অধিক ওজন বহন করে গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?
উত্তর ঃ প্রথমবার ১,০০০ পর্যন্ত জরিমানা এবং পরবর্তী সময়ে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (ধারা-১৫৪)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন ।

৮৩. প্রশ্ন : ইনসিওরেন্স বিহীন অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তর ঃ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫৫)।

৮৪. প্রশ্ন : প্রকাশ্য সড়কে অথবা প্রকাশ্য স্থানে মোটরযান রেখে মেরামত করলে বা কোনো যন্ত্রাংশ বা দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য সড়কে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে শাস্তি কী ?
উত্তর ঃ সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা। অনুরূপ মোটরযান অথবা খুচরা যন্ত্র বা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা যাবে (ধারা-১৫৭)।

৮৫. প্রশ্ন : ফুয়েল গেজের কাজ কী ?
উত্তর ঃ ফুয়েল বা জ্বালানি ট্যাংকে কী পরিমাণ জ্বালনি আছে তা ফুয়েল গেজের মাধ্যমে জানা যায়।

৮৬. প্রশ্ন : গাড়ি রাস্তায় চলার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে প্রথমে কী চেক করতে হবে ?
উত্তর ঃ ফুয়েল বা জ্বালানি আছে কি না চেক করতে হবে।

৮৭. প্রশ্ন : পেট্রোল ইঞ্জিন স্টার্ট করতে ব্যর্থ হলে কোন দুটি প্রধান বিষয় চেক করতে হয় ?
উত্তর ঃ (ক) প্লাগ পয়েন্টে ঠিকভাবে স্পার্ক হচ্ছে কি না চেক করতে হয়।
         (খ) কার্বুরেটরে পেট্রোল যাচ্ছে কি না চেক করতে হয়।

৮৮. প্রশ্ন : ফুয়েল ও অয়েল বলতে কী বুঝায় ?
উত্তর ঃ ফুয়েল বলতে জ্বালানি অর্থাৎ পেট্রোল, অকটেন, সিএনজি, ডিজেল ইত্যাদি বুঝায় এবং অয়েল বলতে লুব্রিকেটিং অয়েল বা লুব অয়েল বা মবিল বুঝায়।

৮৯. প্রশ্ন : অয়েল (মবিল) এর কাজ কী ?
উত্তর ঃ ইঞ্জিনের বিভিন্ন ওয়ার্কিংপার্টস (যন্ত্রাংশ) সমূহকে ঘুরতে বা নড়াচড়া করতে সাহায্য করা, ক্ষয়হতে রক্ষা করা এবং ইঞ্জিন পার্টস সমূহকে ঠান্ডা ও পরিষ্কার রাখা মবিলের কাজ।

৯০. প্রশ্ন : কম মবিল বা লুব অয়েলে ইঞ্জিন চালালে কী ক্ষতি হয় ?
উত্তর ঃ বিয়ারিং অত্যধিক গরম হয়ে গলে যেতে পারে এবং পিস্টন সিলিন্ডার জ্যাম বা সিজড্ হতে পারে।

৯১. প্রশ্ন : অয়েল (মবিল) কেন এবং কখন বদলানো উচিত ?
উত্তর ঃ দীর্ঘদিন ব্যবহারে মবিলে ইঞ্জিনের কার্বন, ক্ষয়িত ধাতু, ফুয়েল, পানি ইত্যাদি জমার কারণে এর গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায় বিধায় মবিল বদলাতে হয়। গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রদত্ত ম্যানুয়াল/হ্যান্ডবুকের নির্দেশ মোতাবেক নির্দিষ্ট মাইল/কিলোমিটার চলার পর মবিল বদলাতে হয়।
৯২. প্রশ্ন : লুব অয়েল (মবিল) কোথায় দিতে হয় ?
উত্তর ঃ ইঞ্জিনের ওপরের অংশে হেড কভার বা ট্যাপেট কভারের নির্ধারিত পোর্টে ক্যাপ খুলে মবিল দিতে হয়।

৯৩. প্রশ্ন : ইঞ্জিনে অয়েল (মবিল) এর পরিমাণ কিসের সাহায্যে পরীক্ষা করা হয় ?
উত্তর ঃ ডিপস্টিক এর সাহায্যে।

৯৪. প্রশ্ন : কখন ক্লাচে চাপ দিতে হয় ?
উত্তর ঃ                ক. গিয়ার পরিবর্তন করার সময়।
                খ. ব্রেক করার সময় যদি গাড়ি থেমে যেতে চায় বা থামাতে হয়।
 
৯৫. প্রশ্ন : টায়ার প্রেসার বেশি বা কম হলে কী অসুবিধা হয় ?
উত্তর ঃ টায়ার প্রেসার বেশি বা কম হওয়া কোনটিই ভালো নয়। টায়ার প্রেসার বেশি হলে মাঝখানে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, আবার টায়ার প্রেসার কম হলে দু-পাশে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ফলে টায়ার তারাতারি নষ্ট হয়ে যায়। 

৯৬. প্রশ্ন : কোন নির্দিষ্ট টায়ারের প্রেসার কত হওয়া উচিত তা কীভাবে জানা যায় ?
উত্তর ঃ টায়ারের আকার (ংরুব), ধরন (ঃুঢ়ব) ও লোড (বোঝা) বহন ক্ষমতার ওপর নির্ভরকরে প্রস্তুতকারক কর্তৃক সঠিক প্রেসার নির্ধারণ করা হয়, যা প্রস্তুতকারকের হ্যান্ডবুক/ম্যানুয়ালে উল্লেখ থাকে।
 
৯৭. প্রশ্ন : গাড়ি না চালালে টায়ার কী করা উচিত ?

উত্তর ঃ টায়ারের আকার (ংরুব), ধরন (ঃুঢ়ব) ও লোড (বোঝা) বহন ক্ষমতার ওপর নির্ভরকরে প্রস্তুতকারক কর্তৃক সঠিক প্রেসার নির্ধারণ করা হয়, যা প্রস্তুতকারকের হ্যান্ডবুক/ম্যানুয়ালে উল্লেখ থাকে।
উত্তর ঃ গাড়ি দীর্ঘসময়ের জন্য না চালালে টায়ার খুলেঠান্ডা স্থানে দাঁড় করিয়ে রাখা উচিত। অল্পসময়ের জন্য হলে চাকাগুলি মাটি হতে ওপরে উঠায়ে রাখা উচিত অথবা মাঝে মাঝে হাওয়া দেওয়া উচিত।

৯৮. প্রশ্ন : টায়ার রোটেশন কী ?
উত্তর ঃ বিভিন্ন কারণে গাড়ির সবগুলো টায়ারের ক্ষয় সমহারে হয় না। গাড়ির চাকাগুলোর ক্ষয়ের সমতা রক্ষার জন্য একদিকের টায়ার খুলে অপরদিকে কিংবা সামনের টায়ার খুলে পেছনে লাগানোকে অর্থাৎ টায়ারের স্থান পরিবর্তন করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে লাগানোর পদ্ধতিকেই টায়ার রোটেশন বলে। এর ফলে টায়ারের আয়ু বহুলাংশে বেড়ে যায়।

৯৯. প্রশ্ন : ব্যাটারির কাজ কী ?
উত্তর ঃ ক. ইঞ্জিনকে চালু করতে সহায়তা করা।
খ. পেট্রোল ইঞ্জিনের ইগনিশন সিস্টেমে কারেন্ট সরবরাহ করা।
গ. সকল প্রকার লাইট জ্বালাতে এবং মিটারসমূহ চালাতে সহায়তা করা।
ঘ. হর্ন বাজাতে সাহায্য করা।

১০০. প্রশ্ন : নিয়মিত ব্যাটারির কী পরীক্ষা করা উচিত ?
উত্তর ঃ পানির লেভেল।

১০১. প্রশ্ন : সময় ও প্রয়োজনমতো ব্যাটারিতে ডিস্টিল্ড ওয়াটার না দিলে কী হয় ?
উত্তর ঃ ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমে যায় এবং প্লেট নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

১০২. প্রশ্ন : ব্যাটারির টার্মিনাল হতে মরিচা দূর করা হয় কেন ?
উত্তর ঃ মরিচা সন্তোষজনক বৈদ্যুতিক সংযোগে বাধা দেয় এবং কালক্রমে টার্মিনালের ভিতর দিয়ে মরিচা পড়ে ও সম্পূর্ণ টার্মিনাল নষ্ট হয়ে যায়।

১০৩. প্রশ্ন : মরিচা পরিষ্কার করার পর টার্মিনালে কী করা উচিত ?
উত্তর ঃ গ্রিজ লাগানো উচিত।

১০৪. প্রশ্ন : মোটরগাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারির ভোল্টেজ কত থাকে ?
উত্তর ঃ ৬ ভোল্ট এবং ১২ ভোল্ট থাকে। (বড় ট্রাকে এবং বাসে ২৪ ভোল্টের ব্যাটারিও ব্যবহৃত হয়ে থাকে)।

                                          পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর


০১. প্রশ্ন : পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে ?
উত্তর ঃ যে-লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক বেতনভোগী কর্মচারী হিসাবে কোনো মোটরযান চালিয়ে থাকে, তাকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।

০২. প্রশ্ন : পিএসভি লাইসেন্স কী ?
উত্তর ঃ পিএসভি অর্থ পাবলিক সার্ভিস ভেহিকেল। ভাড়ায় চালিত যাত্রীবাহী মোটরযান চালানোর জন্য প্রত্যেক চালককে তার লাইসেন্সের অতিরিক্ত হিসাবে পিএসভি লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয়।

০৩. প্রশ্ন : পাবলিক সার্ভিস মোটরযান (ঢ়ঁনষরপ ংবৎারপব াবযরপষব) কাকে বলে ?
উত্তর ঃ যে-মোটরযান ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে পাবলিক সার্ভিস মোটরযান বলে। ভাড়ায় চালিত বাস-মিনিবাস, হিউম্যানহলার (লেগুনা), ট্যাক্সিক্যাব ইত্যাদি পাবলিক সার্ভিস মোটরযানের অন্তর্ভুক্ত।

০৪. প্রশ্ন : বাসের আসন সংখ্যা কত?
উত্তর ঃ চালকসহ ৩১ জনের বেশি অর্থাৎ চালকসহ সর্বনিম্ন ৩২ জন।

০৫. প্রশ্ন : মিনিবাসের আসন সংখ্যা কত?
উত্তর ঃ চালকসহ সর্বনিম্ন ১৬ জন এবং সর্বোচ্চ ৩১ জন।

০৬. প্রশ্ন : একজন পেশাদার চালক দৈনিক কত ঘণ্টা গাড়ি চালাবে বা মোটরযানে কর্মঘন্টা কত ?
উত্তর ঃ এক নাগাড়ে ৫ ঘণ্টার বেশি নয়। অতঃপর আধাঘণ্টা বিশ্রাম বা বিরতি নিয়ে আবার ৩ ঘণ্টা অর্থাৎ ১ দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি নয়। তবে ১ সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়।

০৭. প্রশ্ন : ইঞ্জিন কাকে বলে ?
উত্তর ঃ ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরনের যন্ত্র যেখানে জ্বালানি বা ফুয়েলকে পুড়িয়ে রাসায়নিক শক্তিকে প্রথমে তাপশক্তিতে এবং তাপশক্তিক

জায়গা জমির

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
.
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
.
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
.
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
.
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
.
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
.
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
.
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? /  কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
.
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
.
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
.
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
.
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
.
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
.
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
.
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
.
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
.
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
.
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
.
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
.
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
.
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।  অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
.
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
.
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
.
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
.
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলেhttp://lakshamlive.blogspot.com/2017/06/blog-post.html

কোন দিন কি দিবস

জানুয়ারি
১ জানুয়ারি বিশ্ব পরিবার দিবস
৬ জানুয়ারি বিশ্ব যুদ্ধ অনাথ শিশু দিস (World Day for War Orphans )
১০ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস
১৯ জানুয়ারি জাতীয় শিক্ষক দিবস
২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস
২৪ জানুয়ারি গণ অভ্যুত্থান দিবস
২৫ জানুয়ারি কম্পিউটারে বাংলা প্রচলন দিবস
২৬ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক শুল্ক দিবস
২৭ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক হলোকস্ট স্মরণ দিবস
২৮ জানুয়ারি তথ্য সুরক্ষা দিবস (Data Protection Day), সলঙ্গা দিবস
৩১ জানুয়ারি স্ত্রীকে ভালোবাসার দিন বা লাভ ইওর ওয়াইফ ডে (জাপানে পালন করা হয়)
জানুয়ারির শেষ রবিবার আন্তর্জাতিক কুষ্ঠ দিবস
ফেব্রুয়ারি
২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস
৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যান্সার দিবস
৫ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীর দিবস
৬ ফেব্রুয়ারি International Day against Female Genital Mutilation
৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা ইশারা ভাষা দিবস
১২ ফেব্রুয়ারি ডারউইন দিবস এবং বিশ্ব রোগী দিবস (World Day of the Sick)
১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব বেতার দিবস (World Radio Day
১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন’স ডে, সুন্দরবন দিবস
১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস
২০ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস (World Day of Social Justice)
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
২২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্কাউট দিবস
২৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব শান্তি ও সমঝোতা দিবস
২৪ ফেব্রুয়ারি আল কুদস দিবস
২৮ ফেব্রুয়ারি ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস
মার্চ
২ মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস
৩ মার্চ বিশ্ব বই দিবস
৪ মার্চ বিশ্ব যৌন নিপীড়ন বিরোধী দিবস
৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস
১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা দিবস
১৩ মার্চ আন্তর্জাতিক রোটারী দিবস
১৪ মার্চ আন্তর্জাতিক নদী রক্ষা দিবস, বিশ্ব পাই (π) দিবস
১৫ মার্চ বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস, পঙ্গু দিবস
১৭ মার্চ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন, জাতীয় শিশু দিবস
২০ মার্চ বিশ্ব শিশু ও যুব থিয়েটার দিবস
২১ মার্চ বিশ্ব নিদ্রা দিবস (World Sleep Day), বিশ্ব বনায়ন দিবস, আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য দূরীকরণ দিবস
২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস
২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস, পতাকা উত্তোলন দিবস
২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষা দিবস, আন্তর্জাতিক আর্কাইভ দিবস
২৫ মার্চ দাসপ্রথার শিকার এবং ট্রান্সআটলান্টিক দাস বাণিজ্যের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস
২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস
২৭ মার্চ বিশ্ব নাটক দিবস
৩১ মার্চ জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দিবস
মার্চের ২য় বৃহস্পতিবার বিশ্ব কিডনী দিবস, ২য় সোমবার কমনওয়েলথ দিবস
*এপ্রিল*
২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস, ঢাকার কেরানীগঞ্জ গণহত্যা দিবস, জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস, বিশ্ব শিশু বই দিবস
৩ এপ্রিল জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস
৪ এপ্রিল আন্তর্জাতিক খনি নিরাপত্তা দিবস
৫ এপ্রিল প্রতিবন্ধী দিবস
৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস, রোয়ান্ডার গণহত্যা স্মরণ দিবস
৮ এপ্রিল ইস্টার সানডে
১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠন দিবস
১২ এপ্রিল বিশ্ব মহাকাশ ও বিমান চলাচল দিবস
১৪ এপ্রিল ১লা বৈশাখ, বাংলা বছরের প্রথম দিন
১৬ এপ্রিল বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
১৭ এপ্রিল বিশ্ব হিমোফিলিয়া (Haemophilia) দিবস, মুজিবনগর দিবস
১৮ এপ্রিল বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস
২০ এপ্রিল চীনা ভাষা দিবস
২১ এপ্রিল বিশ্ব সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবন দিবস
২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস, ইংরেজী ভাষা দিবস
২৩ এপ্রিল বিশ্ব পুস্তক এবং কপিরাইট দিবস
২৪ এপ্রিল ওয়ার্ল্ড ল্যাব এনিমেলস ডে
২৫ এপ্রিল বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস
২৬ এপ্রিল বিশ্ব মেধাসত্ত্ব দিবস
২৭ এপ্রিল এ কে ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী, আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস, বিশ্ব নকশা দিবস
২৮ এপ্রিল আন্তর্জাতিক শ্রমিক স্মরণ দিবস (International Worker’s Memorial Day)
২৯ এপ্রিল বিশ্ব নৃত্য দিবস, বিশ্ব ইচ্ছাপূরণ দিবস
এছাড়া এপ্রিলের শেষ মঙ্গলবার শব্দ সচেতনতা দিবস,
*মে*
১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস
৩ মে সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস, বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস, আন্তর্জাতিক সূর্য দিবস,
বিশ্ব অ্যাজমা দিবস
৪ মে কয়লা খনি শ্রমিক দিবস
৫ মে বিশ্ব এথলেটিকস দিবস, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের সংগ্রামী নেতা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এই দিন জন্মগ্রহণ করেন
৮ মে বিশ্ব রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট দিবস, ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহতদের স্মরণ দিবস, রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী (২৫ বৈশাখ)
১২ মে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস, বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস (World migratory bird day) (১২ ও ১৩ মে)
১৩ মে আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালত দিবস, বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস (World migratory bird day) (১২ ও ১৩ মে)
১৫ মে পরিবার দিবস
১৬ মে ফারাক্কা লং মার্চ দিবস বা ফারাক্কা দিবস
১৭ মে ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন সোসাইটি ডে, বিশ্ব টেলি যোগাযোগ দিবস, বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস
১৮ মে বিশ্ব জাদুঘর দিবস
১৯ মে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস
২০ মে বিশ্ব পরিমাপবিদ্যা দিবস (World Metrology Day), চা শ্রমিক হত্যা দিবস
২১ মে বিশ্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র সংলাপ দিবস
২২ মে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র দিবস
২৩ মে বিশ্ব কচ্ছপ দিবস
২৫ মে নজরুল জন্মজয়ন্তী (১১ জ্যৈষ্ঠ)
২৮ মে বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের মৃত্যুবার্ষিকী
২৯ মে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস
৩০ মে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী
৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
এছাড়া মে মাসের প্রথম রবিবার বিশ্ব হাসি দিবস, মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মা
দিবস
*জুন*
৪ জুন আগ্রাসনের শিকার শিশু দিবস (International Day of Innocent Children Victims of Aggression)
৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস
৭ জুন ছয় দফা দিবস
৮ জুন বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবস, বিশ্ব মহাসাগর দিবস
১২ জুন বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবস
১৩ জুন নারী উত্যক্তকরণ প্রতিরোধ দিবস
১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস
১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস
১৭ জুন বিশ্ব খরা ও মরুকরণরোধী দিবস, ভাষা সৈনিক গাজীউল হকের মৃত্যুবার্ষিকী
১৮ জুন আন্তর্জাতিক পিকনিক দিবস
২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস, সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী
২১ জুন বিশ্ব সংগীত দিবস, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস
২৩ জুন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস, জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস দিবস, পলাশী দিবস আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
২৬ জুন মাদকের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার বিরোধী দিবস (International Day against Abuse of Narcotics and Illicit Smuggling), নির্যাতনের শিকারদের সহায়তা দিবস
২৮ জুন সামাজিক ব্যবসা দিবস
৩০ জুন সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস
এছাড়া, জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস
*জুলাই*
১ জুলাই আন্তর্জাতিক কৌতুক দিবস, চিকিৎসক দিবস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস
২ জুলাই বিশ্ব ক্রিড়া সাংবাদিক দিবস
৩ জুলাই জন্ম নিবন্ধন দিবস
১০ জুলাই জাতীয় মূসক (মূল্য সংযোজন কর) দিবস, ১০-১৬ জুলাই মূসক সপ্তাহ
১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
১২ জুলাই মালালা দিবস (এটি মালার জন্মদিন, পূর্বে ১০ নভেম্বর মালালা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।)
১৮ জুলাই ম্যান্ডেলা দিবস (নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন)
২৮ জুলাই বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস, বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস
২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস
এছাড়া জুলাইয়ের প্রথম শনিবার বিশ্ব সমবায় দিবস
*আগস্ট*
১ আগস্ট বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ/স্তন্যদান(Breast-feeding) সপ্তাহ/দিবস
৬ আগস্ট পরমাণু বোমা বিরোধী দিবস, হিরোশিমা দিবস
৯ আগস্ট নাগাসাকি দিবস, বিশ্ব আদিবাসী দিবস
১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস
১৩ আগস্ট আন্তর্জাতিক বাহাতি দিবস
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস
১৯ আগস্ট বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস
২০ আগস্ট বিশ্ব মশক দিবস
২৩ আগস্ট দাস বাণিজ্য স্মরণ এবং রদ দিবস
২৭ আগস্ট দিঘলিয়ার দেয়াড়া গণহত্যা দিবস
৩০ আগস্ট International Day of the Victims of Enforced Disappearances
এছাড়া আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস
*সেপ্টেম্বর*
৩ সেপ্টেম্বর নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ বা সিডও সনদ দিবস
(Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women, CEDAW)
৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস
১০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব আত্নহত্যা বিরোধী দিবস
১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব প্রাথমিক চিকিৎসা দিবস
১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস, আন্তর্জাতিক প্রকৌশলী দিবস, জাতীয় আয়কর দিবস
১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ওজন দিবস
১৭ সেপ্টেম্বর মহান শিক্ষা দিবস
১৮ সেপ্টেম্বর কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস, বিশ্ব নৌ দিবস
২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব শান্তি দিবস, বিশ্ব আলঝাইমার দিবস
২২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব গাড়িমুক্ত দিবস
২৩ সেপ্টেম্বর প্রীতিলতার আত্নাহুতি দিবস
২৪ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ক্লিন আপ ডে, মীনা দিবস
২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস
২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস, আন্তর্জাতিক তথ্য জানার অধিকার দিবস
২৯ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে
২৯ সেপ্টেম্বর মাহমুদপুর গণহত্যা দিবস
৩০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব কন্যাশিশু দিবস
*অক্টোবর*
১ অক্টোবর বিশ্ব নিরামিষাশী দিবস, বিশ্ব প্রবীণ দিবস
২ অক্টোবর বিশ্ব প্রাণী দিবস, আন্তর্জাতিক সহিংসতা বিরোধী দিবস, পথশিশু দিবস
৪ অক্টোবর ওয়ার্ল্ড এনিমেল ওয়েলফেয়ার ডে
৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস
৮ অক্টোবর বিশ্ব মানবিক তৎপরতা দিবস
৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস
১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস, স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস
১২ আক্টোবর বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস, ওয়ার্ল্ড হসপিস অ্যান্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার ডে
১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস
১৪ অক্টোবর বিশ্ব মান দিবস, বিশ্ব দৃষ্টি দিবস
১৫ অক্টোবর বিশ্ব হাতধোয়া দিবস, বিশ্ব সাদাছড়ি দিবস, আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস
১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস
১৭ অক্টোবর বিশ্ব ট্রমা দিবস
২০ অক্টোবর বিশ্ব অস্টিওপরোসিস দিবস
২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস, বিশ্ব উন্নয়ন তথ্য দিবস, বিশ্ব পোলিও দিবস
৩০ অক্টোবর বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস
*নভেম্বর*
১ নভেম্বর বিশ্ব নিরামিষাশী দিবস
৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস
৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস
৬ নভেম্বর যুদ্ধ এবং সশস্ত্র সংঘাতে পরিবেশের ক্ষতি দূরীকরণ দিবস
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
৮ নভেম্বর বিশ্ব রেডিগ্রাফার দিবস
১০ নভেম্বর নূর হোসেন দিবস
১২ নভেম্বর বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস
১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়বেটিস দিবস
২০ নভেম্বর আফ্রিকার শিল্পায়ন দিবস
২১ নভেম্বর বিশ্ব টেলিভিশন দিবস, সশস্ত্র বাহিনী দিবস
২৫ নভেম্বর নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণ দিবস
২৯ নভেম্বর ফিলিস্তিনদের প্রতি সংহতি দিবস
নভেম্বরের প্রথম শনিবার জাতীয় সমবায় দিবস
*ডিসেম্বর*
১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস, জাতীয় যুব দিবস, মুক্তিযোদ্ধা দিবস
২ ডিসেম্বর বিশ্ব কম্পিউটার সাক্ষরতা দিবস, প্রতিবন্ধী দিবস
৬ ডিসেম্বর সংবিধান সংরক্ষণ দিবস
৭ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস
৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দূর্নীতি বিরোধী দিবস, রোকেয়া দিবস
১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক সম্প্রচার দিবস, মানবাধিকার দিবস
১১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক পাহাড় দিবস
১৪ ডিসেম্বর বিশ্ব জ্বালানি দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস
১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস
১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস
১৯ ডিসেম্বর বাংলা ব্লগ দিবস
২৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র দিবস

অ্যান্ড্রয়েড রুট কি : রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা

এখানে আমরা আলোচনা করবো “অ্যান্ড্রয়েড রুট  কি : রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা?” এবং রুটিং অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সুবিধা এবং অসুবিধা সমূহ কি । কেন আপনি রুটিং ফোন ব্যবহার করবেন আর কেনই বা করবেন না । এই সম্পর্কিত আলোচনা থাকবে এখানে ।
অ্যান্ড্রয়েড রুটিং কিঃ   
অ্যান্ড্রয়েড রুট একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে গ্রাহক সম্পূর্ণ ভাবে তার ফোনটি কন্ট্রোল করতে পাড়বে।
আপনি  ডিভাইসটি নিজের ইচ্ছেমত ব্যবহার করতে পারবে ।
 রুটিং মানে হচ্ছে স্পেশাল একটি সুবিধা গ্রাহকের জন্য । এটি ফোনের এক রকম সকল প্রোগ্রামকে কন্ট্রোল করে । এটি ফোনের টোটাল উইন্ডজটিকে কন্ট্রোল করে ।
রুট করার পর কি করবেন
রুট করার পর কি করবেন? আপনি আপনার পছন্দের মোড’স, কারনেল, কাস্টম রম ইন্সটল করতে পারবেন।   আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েড এর লেটেস্ট ভার্সন ইন্সটল করতে পারবেন  ললিপপ আপডেট  (যেমন অ্যান্ড্রয়েড এর ৬.০.১ মার্শম্যালো)।
রুট করার সুবিধা
 আপনি আপনার ফোনের ভাল পারফরমেন্স এর জন্য সিপিএউ এবং জিপিএউ অভারলক করতে পারবেন। রুট করার সুবিধা এর ফলে আপনি যেকোনো ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করে আপনার পছন্দমত ফোনটি আপডেট করতে পারবেন ।
 আপনার ফোনের ব্যাটারি লাইফ এর জন্য আপনি সিপিইউ অভারলক করে রাখতে পারবেন। এর জন্য আপনি আপনার ফোনের ব্যাকআপ, রেস্টর অথবা বিচ আপ্লিকেশনগুলো আলাদা ভাবে রি-ইন্সটল করে রাখতে পারবেন।
মোট কথা, এর ফলে আপনি আপনার ইচ্ছে মত প্রয়োজনীয় ডিভাইস গুলো ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারবেন ।
জেলব্রেক থেকে রুটিং এর ভিন্নতা
অনেকেই রুটিং এবং জেলব্রেক একই ব্যাপার ভেবে প্রতারিত হন । কিন্তু সত্যিকার অর্থে জেলব্রেক এবং রুটিং দুইটি ভিন্ন ব্যাপার। দুইটির কনসেপ্ট দুই ধরনের ।
জেলব্রেক আসলে অ্যাপেল এর জন্য প্রযোজ্য। এই মডেলের মধ্যে জেলব্রেক অপারেটিং সিস্টেম মডিফাইং করতে পারে (ইনফরসড বাই “লকড বুটলোডার”)।
এটি গ্রাহককে অ-অনুমদিত এপ্লিকেশন সমূহ ব্যবহার করার অনুমতি দিয়ে থাকে । এই সুবিধা  সমূহ কিছু কিছু মডেলের অ্যান্ড্রয়েড এর মধ্যে থাকে । যেমনঃ সনি, আসুস এবং গুগল এই টাইপ এর মডেলের অ্যান্ড্রয়েড এর মধ্যে এই সুবিধা টি রয়েছে ।
এদের আর একটি বিশেষ গুন হচ্ছে এই মডেলের অ্যান্ড্রয়েড গুলো তাদের ডিভাইস গুলো আনলক করতে পারে এমনকি স্থানান্তরিত করতে পারে ।
রুট করার পর কি করবেনরুট করার পর করনীয়
আপনার ফোনের কারেন্ট রমের একটি ব্যাকআপ তৈরি করা। ব্যাকআপ নেওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে যেকোন একটি কাস্টম রিকভারি ইন্সটল করা।
সংক্ষেপে রিকভারি হচ্ছে ফোনের একটা বুট-মোড যেখান থেকে আপনি ফোনের পুরো পার্টিশন ফরম্যাট করতে পারবেন
অথবা
 মেমোরি কার্ডে থাকা update.zip ফাইল দিয়ে ফোন আপডেট করতে পারবেন।
রুটিং এর সুবিধা কি ? কি কারনে রুটিং এর ব্যবহার ব্যাপক
১। লুকানো বৈশিষ্ট্য এবং ইন্সটল ইঙ্কম্পেটিবলঃ আপনি ইচ্ছে করলে আপনার ফোনের বেমানান অ্যাপস গুলো আনলক করতে পারবেন ।
২। এন্ড্রএড ডিভাইস এর মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হ্যাক করাঃ আসলেই এটি সত্যি।  আপনি চাইলেই আপনার অ্যান্ড্রয়েডটি দিয়ে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের ডিভাইস টি হ্যাক করতে পারবেন। এমন কি আপনি চাইলে ওই নেটওয়ার্কের কানেক্ট থাকা যেকোনো ইউসার কে আপনি নেটওয়ার্কের থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবেন ।
“ওয়াই-ফাই” একটি অ্যাপ্লিকেশান নেটওয়ার্কের হ্যাকিং এর জন্য ।
৩। আপনার মোবাইলের প্রসেসর অভারলক করাঃ আপনি আপনার মোবাইলের প্রসেসর এর গতি বাড়াতে পারবেন। কিন্তু এটি প্রসেসর এর জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ । তাই এর আগে যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে রাখা উচিৎ ।
৪। ব্লক এডস ফ্রম অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসঃ আমাদের অনেকের ফোনেই অনেক অবাঞ্চিত এডস আসতে থাকে। যা কিছু কিছু গ্রাহকের কাছে খুবি বিরক্তির কারন হয়ে দাড়ায়। এ সমস্ত বিরক্তি থেকে রুট অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে দেবে মুক্তি ।
আপনি রুট করে এডস ব্লক দিয়ে রাখলে আপনি পাবেন এই অবাঞ্চিত ঝামেলা থেকে মুক্তি। এই ব্যাপারে র‍্যটিং এর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত ব্যাপক ।
৫। আপনার ডিভাইস এর র‍্যাম বৃদ্ধিঃ রুটিং আপনার ডিভাইসটির ডাটার ঘনত্ব বিপর্যয় কমিয়ে এর জায়গা বৃদ্ধি করে । রুটিং এর ফলে আপনি এই সুবিধা টি পাবেন আপনার অ্যান্ড্রয়েডটিতে ।
৬। বিভিন্ন ধরনের রম’স, মুড’স, কারনেলঃ আপনি ইচ্ছে করলে বিভিন্ন ধরনের রম’স কারনেল এবং মুড’স ইন্সটল করতে পারবেন। অবশ্য এই তা তখনি করতে পারবেন যখন রুটিং ডিভাইস টি ইন্সটল করা থাকবে ।
অ্যান্ড্রয়েড একটি সর্বশ্রেষ্ঠ অ্যাপ্লিকেশন মোবাইল ডিভাইস হিসেবে এবং সর্বজন নির্ধারিত ।
৭। ব্যাটারির বুস্ট লাইফের জন্য আন্ডারলক সিপিইউঃ আপনি আপনার ফোনটির ব্যাটারির আরও বেশি টেকসই এর জন্য আপনি আপনার সিপিইউটিকে আন্ডারলক করে রাখতে পারবেন ।
রুটিং এর অসুবিধা সমূহ:   
১। ব্রিকিংঃ রুটিং হল একটি ড্রেডেড শব্দ । এটি ইন্সটল থাকলে আপনার  ফোনটিতে কোন বড় সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন না । আপনি যদি এটি কোন ব্যাবসায়িক কাজে ব্যবহার করেন তবে এটি দিয়ে আপনি লাভবান হবেন না ।
এমন কি যদি এটি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হয় তবে এর জন্য আপনাকে জরিমানা দিতে হতে পারে । কোন বড় কাজে বা ব্যাবসায়িক কাজে এর সুফল তেমন নেই ।
২। মোবাইল রুট করলে কি হয় : এটি ব্যবহার এর সাথে সাথে আপনার ফোনের ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে যাবে কারন এর পর আপনি আর কর্তৃপক্ষকে এই টা দেখাতে পারবেন না । আপনি এই রুটিং বন্ধ করেও যদি ফোনটিকে ওয়ারেন্টিতে পাঠান তাতেও কোন লাভ হবে না ।
কারন, রুট একবার ইন্সটল করা হলে এর পরে আর এর ডিভাইস আগের মত থাকে না ।  তাই এর ব্যবহারের সাথে সাথে আপনার ওয়ারেন্টির কথা ভুলে যেতে হবে।
৩। সিকিউরিটি রিস্কঃ রুটিং ব্যবহারের ফলে আপনার ফোনটি সিকিউরিটি রিস্কে পরে যাবে। কারন রুটিং ইন্সটলের সাথে সাথে আপনার আপনার ডিফল্ট সেটিংস চেঞ্জ হয়ে যাবে ।
তাই এর সিকিউরিটি আগের মত থাকবে না ।
যার ফলে আপনার ফোনটি একটি সিকিউরিটিহীন অবস্থায় পরবে । আর এতে আপনার একটি ফোনের উপর নির্ভর করে অনেক বড় বড় সমস্যা হতে পারে যা আপনি হয়ত কল্পনাও করতে পারবেন না ।
তাই আমাদের উচিত  মোবাইল রুট করলে কি হয় এর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা তৈরি করা। কারন, তা না হলে অজ্ঞতার কারনে অনেক বড় বড় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। যা কি না আপনি ধারনাও করতে পারবেন না।
তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এর সুবিধাও ব্যাপক। যা অন্য কোন অ্যাপ আপনাকে দিতে পারবে না।
 অনেক সময় আমাদের ছোট ছোট কিছু ভুলে ঘটে যায় বড় বড় দুর্ঘটনা। আবার অনেক সময় না জানার কারনে অনেক আপডেট অ্যাপ সম্পর্কে ধারনা না পেয়ে আমরা পরে থাকি এনালগ জগতে।
 তাই মোবাইল রুট করার পদ্ধতি এর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা থাকাও অত্যন্ত জরুরি ।এখানে এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছ । সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই আলোচনা টি শেয়ার করুন। ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।
Note: আমরা যারা Android ফোন ইউজ করি আমাদের ফোনে তিন ধরনের রম থাকে :
১.স্টক রম
২.কাস্টম রম কাস্টম রম আপনার ফোনে আপডেট দিতে অবশ্যই আপনার ফোন রুটেড হতে হবে।
৩.সাইনোজেন মোড

মাছ চাষের র্পূনাঙ্গ ব্যবস্থাপত্র এবং মাছ চাষিদের ক্ষতিগ্রস্ত হবার কারণ


মাছ চাষের র্পূনাঙ্গ ব্যবস্থাপত্র এবং মাছ চাষিদের ক্ষতিগ্রস্ত হবার কারণ

মুরগির মাছ চাষে লাভবান হতে হলে মাছ চাষ পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বাজারজাত করা পর্যন্ত প্রতিটি পর্বে চাষিকে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। মাছচাষির অজ্ঞতা বা অবহেলায় অনেক সময়েই তারা ভুল করে থাকেন এবং পরবর্তীতে ভুলের মাশুল দিতে হয়। চাষিদের এসব ভুল লাভজনক মাছচাষের ক্ষেত্রে অন্তরায়। তাদের এসব ভুল বা অনিয়মগুলো তাদের সুবিধার জন্য আলোচনা করা হচ্ছে। 
সঠিক পরিকল্পনা
মাছ চাষ শুরু করার আগে প্রয়োজন হচ্ছে সঠিক পরিকল্পনা। কী মাছ চাষ করা হবে, চাষের মেয়াদ কতদিন হবে, কখন বাজার জাত করা হবে এবং এজন্য মোট কত খরচ হতে পারে, অর্থ ব্যয়ের সংস্থান আছে বা করা যাবে কি না এসব বিষয়ে পূর্ব পরিকল্পনা থাকতে হবে। তা না হলে চাষ শুরু করার পর নানা প্রতিবন্ধকতায় চাষি বাধ্য হয়েই মাছ চাষের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেন। এর ফলে, প্রত্যাশিত উৎপাদন হয় না এবং বাজেটে ঘাটতি দেখা দেয়। ফলশ্রুতিতে চাষি লাভের পরিবর্তে ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকেন। 
পুকুর খননে সঠিক ধারণা থাকা 
যেখানে পুকুর খনন করা হবে সেখানকার অবকাঠামো, পরিবেশ, পানির গভীরতা, বর্ষায় বন্যার হুমকি, পুকুর পাড়ের ঢাল, বকচর, শুষ্ক মৌসুমে পানি কতটা থাকে, পানি হ্রাস পেলে বাইরে থেকে পানি দেয়ার ব্যবস্থা আছে কি না ইত্যাদি বিষয়ে সঠিক ধারণা না থাকলে পুকুর খননেই গলদ থেকে যাবে। আর গলদ থাকলে সারা বছর নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এজন্য প্রথমেই অভিজ্ঞ মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। 
পুকুর প্রস্তুত যথার্থ না হওয়া
চাষ শুরু করার আগে বা মাছের পোনা ছাড়ার আগে সঠিক নিয়মে পুকুর তৈরি করা অত্যাবশ্যক। শুরুতে বিজ্ঞান পরিবেশসম্মত পুকুর তৈরি করা হলে মাছ চাষের এক তৃতীয়াংশ কাজ সম্পন্ন করা হয়। অথচ অনেক চাষি এক্ষেত্রে অদক্ষতার পরিচয় দেন। ভালভাবে পুকুর শুকানো, রাক্ষুসে মাছ অপসারণ, দূষণ মুক্ত পানি সরবরাহ করা, চুন/জিওলাইট প্রয়োগ, পানিতে প্রাকৃতিক খাবার জন্মানো এবং পুকুরে পানি প্রবেশ এবং নিষ্কাশনের রাস্তা সঠিকভাবে রক্ষা করা অত্যাবশ্যক। এক্ষেত্রে অবহেলা করা হলে পরবর্তীতে নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। 
পোনা নির্বাচনে ত্রুটি
পোনার সঠিক মান এবং জাত নিশ্চিত করা না গেলে চাষি অনেক সমস্যায় পড়তে পারে। চাষিকে মানসম্মত ব্রুড থেকে উৎপাদিত এবং অন্তঃপ্রজনন মুক্ত পোনা, একই আকারের বয়সের রোগমুক্ত পোনা সংগ্রহ করতে হবে। অদক্ষ এবং অনভিজ্ঞ হ্যাচারী টেকনেশিয়ানরা মৎস্য চাষিদের যেভাবে প্রতারিত করছে তা থেকে চাষিদের রক্ষা পেতে হবে। মনে রাখতে হবে যেমন বীজ তেমন ফল। ভাল পোনা না হলে কেবল খাবারের উপরই দোষ চাপালে ঠিক হবে না। 
পোনা পরিবহন  অবমুক্তকরণে ত্রুটি
মানসম্পন্ন পোনা সংগ্রহ করার পর তা সঠিক নিয়মে পরিবহণ এবং পরিবহণের পর যথার্থভাবে পুকুরে অবমুক্ত করতে হবে। কেননা অনেক সময় দেখা যায় পরিবহণজনিত ত্রুটি থাকায় এবং পরিবহণের আগে পোনা সঠিক নিয়মে টেকসই করা হয় না বলে পোনা ব্যাপক হারে মারা যায়। অনেক সময় তাৎক্ষণিক ভাবে মারা না গেলেও পোনা এতই দুর্বল থাকে যে দু'এক দিনের মধ্যে অনেক পোনাই মারা যায়। বিষয়টি মাছ চাষি বুঝতে না পারলে পরবর্তীতে আরো সমস্যা ক্ষতি হয়ে থাকে। কারণে পোনা পরিবহন পোনা ছাড়ার ক্ষেত্রে দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে। ব্যাপারে অভিজ্ঞ মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ নেয়া উচিত। 
পোনা সঠিকভাবে নার্সিং
মাছ চাষি হ্যাচারী থেকে যেসব পোনা সংগ্রহ করেন তার অধিকাংশই সরাসরি চাষ পুকুরে ছাড়ার উপযোগী নয়। চাষ পুকুরে ছোট পোনা সরাসরি ছেড়ে অনেক সময় চাষি ক্ষতিগ্রস্থ হন। এতে ব্যাপক হারে পোনা মারা যেতে পারে। আর বেশি পোনা মারা গেলে চাষি ভুল পথে পরিচালিত হতে পারেন। কারণে পোনা ভালভাবে নার্সিং করতে হবে। নার্সিং করার পর পোনা বড় টেকসই হলে গণনার মাধ্যমে পোনা মজুত পুকুরে দেয়া যায় এবং পরবর্তীতে খাবার ব্যবস্থাপনার সাথে অন্যান্য ব্যবস্থাপনাও যথার্থ হতে হবে। একক চাষের ক্ষেত্রে বিশেষত শিং, মাগুর, কৈ, তেলাপিয়া প্রভৃতি মাছের পোনা হ্যাচারী থেকে সরাসরি চাষ পুকুরে দিয়ে অনেক চাষি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। ক্ষেত্রে তাই নার্সিং বিশেষ জরুরি। 
পোনা মজুতে সংখ্যা ঠিক রাখা
ইচ্ছেমত বা পুকুরের জায়গার তুলনায় অধিক পরিমাণে পোনা ছাড়া আমাদের মৎস্য চাষিদের একটি প্রচলিত ত্রুটি। তাদের ধারণা বেশি পোনা ছাড়া হলেই বেশি উৎপাদন হবে। অনেক সময় তাদেরকে ব্যাপারে পরামর্শ দিলেও তা অনুসারিত হয়নি। চাষের ধরণ, অবকাঠামো, পানি বদলানোর সুবিধা, খাবারের ধরণ, মাছ চাষের মেয়াদ, মাছের প্রজাতি প্রভৃতি বিষয় বিবেচনা করে পোনা মজুতের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। ব্যাপারে অভিজ্ঞ চাষি বা অভিজ্ঞ মৎস্য কর্মকর্তার কাছ থেকে তারা পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। বেশি পোনা নয় বরং পরিমিত পরিমাণে পোনা ছেড়ে অধিক উৎপাদন নিশ্চিত করাই হচ্ছে গুরুত্বপুর্ণ। 
মিশ্রচাষে জাত নির্বাচনে ব্যর্থতা বা অদক্ষতা
মিশ্রচাষে সাধারণত নানা প্রজাতির মাছ চাষ করা হয়ে থাকে। তবে ক্ষেত্রেও নিয়মকানুন রয়েছে। পুকুরে পানির তিনটি স্তরে একই রকমের মাছ থাকে না। কারণে মিশ্রচাষে প্রজাতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে উপরের স্তর, মধ্য স্তর এবং নীচের স্তরের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রতিটি স্তর সঠিক ব্যবহারের জন্য প্রজাতি নির্বাচন করতে হবে। অনেক সময় মৎস্য চাষিরা কোনো একটি স্তরে অধিক মাছ ছেড়ে দেন অথচ অন্য একটি স্তরের উপযোগী মাছ ছাড়েন না। এতে চাষে ভাল ফলাফল আসে না। তাছাড়া একই স্তরে বসবাসকারী অধিক মাছের জন্য তাদের নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতে হয়। তাই প্রতিটি স্তরের সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য আনুপাতিক হারে মাছ ছাড়তে হবে। পরস্পরে প্রতিদ্বন্ধিতা হয় এমন প্রজাতি এড়িয়ে যাওয়া ভাল। যেমন, নীচের স্তরে মৃগেল, মিররকার্প, কার্পিও ধরনের মাছ থাকে। পোনা ছাড়ার সময় আনুপাতিক হারেই পোনা ছাড়তে হবে। একই সাথে মৃগেল এবং গলদা চিংড়ি ছাড়া হলে গলদা চিংড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আবার মাংসভোজী অর্থাৎ একে অপরকে খেয়ে ফেলে ধরনের প্রজাতি মিশ্রচাষে দেয়া যাবে না। মিশ্রচাষে রাক্ষুসে প্রজাতিকে এড়িয়ে যাওয়া অত্যাবশ্যক। 
পানির গুণাগুণ রক্ষা
মাছ পানিতে থাকে বলেই পানির গুণাগুণ পরিবেশ রক্ষা করাটা জরুরি। অথচ অনেক মৎস্য চাষি পানির গুণাগুণ রক্ষায় সচেষ্ট নন। মাছ চাষের জন্য পানির নির্ধারিত স্থিতিমাপ রয়েছে। এগুলো দক্ষতার সাথে রক্ষা করতে পারলে চাষকালীন সময়ে নানা সমস্যা এড়ানো সম্ভব। পানির পিএইচ (PH), অ্যামোনিয়া, ক্ষারত্ব, দ্রবীভূত অক্সিজেন প্রভৃতির আদর্শ মাত্রা রয়েছে। মাত্রা অতিক্রম করলে বা অস্বাভাবিক কমবেশি হলেই বিপত্তি। চাষিরা টেস্ট কিটের (Test kit) এর মাধ্যমে উপরোক্ত মাত্রা পরিমাপ করে পানির গুণাগুণ জানতে পারেন এবং অভিজ্ঞ চাষি করণীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। কারণে চাষিদের জন্য টেস্ট কিট রাখা অতি জরুরি। 
মানসম্মত খাবার দেয়া
লাভজনক মাছ চাষের জন্য মানসম্মত খাবার প্রদান অন্যতম প্রধান শর্ত। কেননা মাছ চাষে ৭০% এর বেশি খরচ হয় কেবল খাদ্য সরবরাহে। বাজারে নানা কোম্পানীর খাদ্য রয়েছে এবং অনেকে নিজে খাদ্য তৈরি করে সরবরাহ করেন। খাবার যে ভাবেই সরবরাহ করা হোক না কেন তা অবশ্যই মানসম্পন্ন হতে হবে। সঠিক পুষ্টিমান সম্পন্ন এবং মাছের আকার বয়স উপযোগী খাবার সরবরাহ না করলে মৎস্য চাষি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারেন। অনেক চাষি অজ্ঞতা, সস্তা বা বাকীতে পাবার জন্যে খুবই নিম্নমানের খাবার ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। ব্যাপারে তাদের সচেতনতা প্রয়োজন। তাছাড়া পরীক্ষাগারে খাদ্য পরীক্ষা করালে খাদ্যের পুষ্টিমান সম্পর্কে জানা যায়। 
খাবার কম-বেশি সরবরাহ করা 
কম খাবার সরবরাহ করলে যেমন মাছের প্রত্যাশিত উৎপাদন পাওয়া যায় না, তেমনি বেশি পরিমাণে খাবার সরবরাহে চাষি অধিক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারেন। এতে খাবার অর্থ দুই- অপচয় হয় এবং পানি দূষণের জন্য মাছ মারা যেতে পারে। অধিকাংশ চাষি ভুলটি করে থাকেন। সাধারণত মাছের পোনার সংখ্যা তাদের অজানা থাকায় খাদ্য প্রয়োগের হিসেবে গরমিল থাকায় মাছচাষি সঠিকমাত্রায় খাবার সরবরাহ করতে পারেন না। এজন্য মাছের সংখ্যা এবং গড় ওজন জেনে পানির গুণাগুণের দিক বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পরিমাণে খাবার সরবরাহ করা অত্যাবশ্যক। 
নিয়মিত খাবার সরবরাহ করা
অনেক চাষি নিয়মিত খাবার সরবরাহ করার পরিবর্তে মাঝে মাঝে অনিয়মিতভাবে খাবার সরবরাহ করে থাকেন। এভাবে খাবার সরবরাহ করলে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করা সম্ভব নয়। তাছাড়া অনেক চাষি অসময়ে আবার কেউ কেউ ইচ্ছেমত খাবার দিয়ে থাকেন বলে মাছের সুষম বৃদ্ধি হয় না এবং অনেক ক্ষেত্রে খাবারের অপচয় হয়ে থাকে। অর্থাভাবে চাষের মাঝামাঝি সময়ে খাবার সরবরাহে ব্যর্থ হলে চাষি লাভবান হতে পারে না। তাছাড়া মাছ খাদ্য খাচ্ছে কি না তা অনেক চাষি লক্ষ্য করেন না। 
নিয়মিত ওজন নেয়া
১০/১৫ দিন পর পর মাছের গড় ওজন নেয়া আবশ্যক। তা না হলে চাষি খাবারের পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারেন না। মাছের ওজন না নিলে চাষিও বুঝতে পারেন না যে মাছের বৃদ্ধি সন্তোষজনক নাকি হতাশাব্যঞ্জক। চাষিকে তাই ১০/১৫ দিন পর পর মাছের গড় ওজন নিতে হবে এবং তদনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 
স্বাস্থ্য পরিচর্যা
পোনা ছেড়ে এবং খাবার সরবরাহ করেই চাষির দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। মাছের স্বাস্থ্য পরিচর্যা পর্যবেক্ষণ একটি বড় কাজ। মাছের অস্বাভাবিক আচরণ বা দেহে অস্বাভাবিক কোনো কিছু দেখা গেলে বা ক্ষত হলে মৎস্য বিশেষজ্ঞ বা মৎস্য কর্মকর্তার শরণাপন্ন হতে হবে। তবে মাছের রোগ হলে চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধে অধিক মনোযোগী হলে মাছচাষি ক্ষতি এড়াতে পারেন। স্বাস্থ্যসম্মত চাষ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে আজকাল মাছ চাষে নানা ঔষধপত্র এবং পুষ্টি পণ্য পাওয়া যাচ্ছে যা চাষি ব্যবহার করে সুবিধা পেতে পারেন। 
অতিরিক্ত সার প্রদান 
মাছ চাষে পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনে জৈব অজৈব সারের ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু প্রায়শ দেখা যায় যে অনেক চাষি কেবল সার প্রয়োগের মাধ্যমে মাছ চাষ করতে চান। তাদের ধারণা কেবল সার প্রয়োগ করলে আর সম্পূরক খাবার দেয়া লাগবে না। ধারণা থেকে অতিরিক্ত সার প্রয়োগে তারা বিপদ ডেকে আনেন। পানিতে প্লাংক্টন বুম বেশি হয়ে সমস্যার সৃষ্টি করে এক পর্যায়ে পানি নষ্ট হয়ে যায় এবং পুকুরে গ্যাস সৃষ্টি হয়ে মাছ মারা যায়। কেবল প্রয়োজন হলেই সার দেয়া উচিত না হলে দরকার নেই। 
পোল্ট্রি লিটার বা বিষ্ঠা ব্যবহার না করা 
পোল্ট্রি বিষ্ঠাতে খাদ্যমান রয়েছে চিন্তা থেকে অনেক মৎস্য চাষি পোল্ট্রি লিটারকেই কেবল মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছে। কিন্তু লিটার ব্যবহারের কারণে চাষিরা নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। অনেক সময় পোল্ট্রি লিটারে কাঠের গুড়া ব্যবহার করা হয় যা মাছ খেয়ে পরিপাক হয় না এবং তা থেকে বদহজম হয়ে পেট ফুলে মাছ মারা যায়। আবার লিটারে কেবল তুষ থাকার কারণে একই সমস্যা হয়। অধিক পরিমাণে লিটার পানির গুণাগুণ নষ্ট করে। পানিতে অ্যামোনিয়া গ্যাসের কারণে ব্যাপকহারে মাছ মারা যায় এবং পানির গুণাগুণ রক্ষা করতে গিয়ে ঔষধপত্র কিনতে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। তাছাড়া লিটারের মাধ্যমে মাছে এন্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া যায় যা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। ইউরোপীয় দেশসমূহে মাছে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের দেশেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণে সস্তায় লাভের মানসিকতা পরিহার করতে পোল্ট্রি লিটার মাছ চাষে ব্যবহারে বিরত থাকা উচিত। 
সঠিক নির্দেশনায় ঔষধপত্র ব্যবহার 
আধুনিক মাছ চাষে চিকিৎসা, প্রতিরোধ এবং নানা সমস্যা মোকাবেলায় বিভিন্ন ধরনের ঔষধপত্র এবং পুষ্টিপণ্য বাজারে পাওয়া যায়। আমাদের দেশেও নানা কোম্পানী নানা পণ্য বাজারজাত করছে। তবে অনেক সময় তারা সস্তায় এসব কিনে প্রতারিত হয়ে থাকেন। আবার সঠিক ব্যবহার বিধি না জানা বা সঠিক মাত্রায় ব্যবহার না করায় সুফল পাচ্ছে না। কারণে সঠিক মাত্রা এবং প্রয়োগ বিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। 
একাধারে একই পুকুরে মাছ ধরা
একই পুকুর থেকে একাধারে কয়েকদিন মাছ ধরলে চাষি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারেন। কেননা পরপর কয়েকদিন জাল টানলে অন্য মাছ খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে দেয় বলে মাছের ওজন কমে যায় এবং আঘাতজনিত কারণেও কিছু মাছ মারা যেতে পারে। কারণে একটানা কয়েকদিন মাছ না ধরে মাঝে বিরতি দেয়া উচিত। 
আহরিত মাছ পরিবহনে সমস্যা
মাছ ধরে সঠিকভাবে বাজারজাত করতে না পারলে মাছচাষি চাষের শেষ দিকে এসে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারেন। যেসব মাছ জীবিত পরিবহন করা হয় সেগুলো অনেক ক্ষেত্রে অধিক সময় পরিবহন বা অন্য কোনো ত্রুটির কারণে মারা যায়। ক্ষেত্রে প্লাষ্টিক ড্রামে পরিষ্কার পানিসহ পরিমিত মাছ পরিবহন করা উচিত। আজকাল ড্রামসহ গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়। শিং, মাগুর, কৈ প্রভৃতি মাছ এভাবে পরিবহন করা হয়। ড্রামে নেয়ার আগে কিছু সময় হাপায় রাখা আবশ্যক। মাছ ধরার /১০ ঘন্টা আগে খাবার দেয়া বন্ধ রাখলে ধৃত মাছ অধিক সময় জীবিত থাকে। অন্যান্য মাছ দূরত্ব ভেদে বরফজাত করা উচিত।
মাছচাষিরা একটু সতর্ক হলে এবং চাষকালে প্রতিটি ধাপে দক্ষতার পরিচয় দিলে ক্ষতি বা লোকসান থেকে রক্ষা পেয়ে নিশ্চিত লাভবান হতে পারবেন