দিতে যে যানে না পাওয়া তার হয় না ।
এক নজরে জকিগঞ্জ উপজেলার বিবরণ
০১ উপজেলার নাম জকিগঞ্জ
০২ আয়তন ২৬৭ বর্গ কিলোমিটার
০৩ জনসংখ্যা ১.৯ লক্ষ।
০৪ জনসংখ্যার ঘনত্ব ৭১৯ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে
০৫ নির্বাচনী এলাকা ২৩৩,সিলেট-৫
০৬ ইউনিয়ন ০৯ টি
০৭ মৌজা ১১৪ টি
০৮ সরকারী হাসপাতাল ০১ টি
০৯ স্বাস্থ্য কেন্দ্র / ক্লিনিক ০২ টি, পরিবার কল্যান কেন্দ্র-৮ টি
১০ পোষ্ট অফিস ১৮ টি
১১ নদ-নদী ০২ টি, সুরমা ও কুশিয়ারা
১২ হাট বাজার ২৯ টি
১৩ ব্যাংক ১০ টি
জকিগঞ্জের নামকরণঃ
কারো কারো মতে কিংবদন্তি রয়েছে যে শাহ জাকী নামে একজন পীর কুশিয়ারা নদীর তীরে আস্তানা স্থাপন করেন আর এ পীরের মোকামকে কেন্দ্র করে যে সাপ্তাহিক বাজার বসত তাই জকিগঞ্জ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে ।আর এ কিংবদন্তির সাথে মিল রেখে জকিগঞ্জ নামের সাথে সাথে বাজারের পাশে পীরের স্মৃতি বহনকারী পীরের খাল ও পীরের চক গ্রাম গড়ে উঠেছে। আবার কারো কারো মতে গোলাম জকি মজুমদারের নাম অনুসারে জকিগঞ্জ এবং তার অপর ভাই করিম মজুমদারের নামানুসারে করিমঞ্জের নামকরণ করা হয়েছে। জকি শব্দের অর্থ অশ্বারোহী,কোন কোন অর্থে জ্ঞানদাতা । (সূত্রঃ মোঃ হান্নান মিয়া সম্পাদিত প্রসঙ্গ জকিগঞ্জ ইতিহাস ও ঐতিহ্য পৃষ্ঠা -৩)
বর্তমান উপজেলার ইতিহাসঃ
রেডক্লিফ রোয়েদাদের নির্ধারিত সীমানা মোতাবেক ভারতের করিমগঞ্জ মহকুমার উত্তর অংশ তথা কুশিয়ারা নদীর উত্তরপাড়ে ১৯৪৭ খ্রিঃ সনে ২৭ আগষ্ট তদানীন্তন পুলিশ কর্মকর্তা (পরবতীতে ভূমি প্রশাসন ও ভূমি সংস্কার মন্ত্রী) জনাব এম এ হক জকিগঞ্জ থানা প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে জাতীয় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস কমিটির সিদ্ধান্ত মতে জকিগঞ্জ থানাকে মান উন্নীত করে প্রশাসনিক উপজেলা হিসাবে ০১-০৮-১৯৮৩ খ্রিঃ তারিখে ঘোষণা করা হয়।
ভৌগোলিক অবস্থানঃ
জকিগঞ্জের অবস্থান সিলেট জেলার অর্ন্তগত সীমান্তবর্তী জকিগঞ্জ উপজেলা বাংলাদেশের সর্ব উত্তর-পূর্বাংশের একটি সমৃদ্ধ জনপদ । ২৭৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত জকিগঞ্জ সুরমা - কুশিয়ারা বিধৌত একটি উর্বর পলল সমভূমি। ১৯৪৭ খ্রিঃ সনে স্থাপিত জকিগঞ্জ উপজেলার তিন দিকে ভারত। এর উত্তরে ভারতের কাছাড় জেলার কাটিগড়া থানা ও বাংলাদেশের কানাইঘাট উপজেলা , দক্ষিণে ভারতের করিমগঞ্জ জেলার সদর ও বদরপুর থানা , পশ্চিমে বাংলাদেশের বিয়ানীবাজার উপজেলা এবং পূর্বে ভারতের কাছাড় জেলার কাটিগড়া থানা ও ভারতের করিমগঞ্জ জেলার বদরপুর থানা অবস্থিত । জকিগঞ্জের পূর্বদিকে ভারত থেকে আগত বরাক নদী বাংলাদেশের আমলশীদ নামক স্থানে বিভক্ত হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর উৎপত্তি হয়েছে। কুশিয়ারা ও সুরমা এ’দুটি নদী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানার যথাক্রমে দক্ষিণ এবং উত্তর ও উত্তর পশ্চিম সীমানা নির্ধারণ করে ৬২ কিমি নদীপথ অতিক্রম করেছে। এ নদীপথে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের মাছধরা নৌকা ও যাত্রীবাহী ট্রলার, কয়লাবাহী বিভিন্ন ধরনের কার্গো স্ব স্ব দেশের পতাকা বহন করে চলাচল করে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন